Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

রেহাই নেই বিয়েবাড়িরও! পাকিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় রক্তস্নাত উৎসব প্রাঙ্গণ, মৃত অন্তত ৭

অতিথিরা নাচছিলেন, আচমকাই বিস্ফোরণে ধসে গেল বিয়েবাড়ির ছাদ! নিহতদের মধ্যে একজন ছিলেন একজন ‘ভালো তালিবান’! এই শব্দটির অর্থ প্রাক্তন জঙ্গি, যিনি রাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন! আক্রান্তদের বাকিরা ছিলেন তাঁর আত্মীয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৯:২৯

options
link
রেহাই নেই বিয়েবাড়িরও! পাকিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় রক্তস্নাত উৎসব প্রাঙ্গণ, মৃত অন্তত ৭ zoom
উৎসব প্রাঙ্গণ মুহূর্তে শোকে ডুবে গেল!
Advertisement

জঙ্গিদের ‘আশ্রয়দাতা’ হওয়ার খেসারত দিয়েই চলেছে পাকিস্তান। এবার এক বিয়েবাড়িতে আত্মঘাতী হামলায় প্রাণ হারালেন অন্তত ৭ জন। আহত ২৫। রাতারাতি মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হল উৎসব প্রাঙ্গণ। পুরো এলাকা জুড়ে ধ্বংসাবশেষ ও রক্তের দাগ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

শুক্রবার উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের অশান্ত খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অতিথিদের মধ্যেই ছিল হামলাকারী। আচমকাই পোশাকের আড়ালে লুকিয়ে রাখা বোমা সে ফাটিয়ে দেয় বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, অতিথিরা নাচছিলেন। সেই সময়ই আচমকা বিস্ফোরণে বিয়েবাড়ির ছাদ ধসে যায়। ফলে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয়। এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের কাছে পৌঁছনো কঠিন হয়ে যায়। জানানো হয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন ছিলেন একজন ‘ভালো তালিবান’! এই শব্দটির অর্থ প্রাক্তন জঙ্গি, যিনি রাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন! আক্রান্তদের বাকিরা ছিলেন তাঁর আত্মীয়।

Advertisement

অতিথিদের মধ্যেই ছিল হামলাকারী। আচমকাই পোশাকের আড়ালে লুকিয়ে রাখা বোমা সে ফাটিয়ে দেয় বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, অতিথিরা নাচছিলেন। সেই সময়ই আচমকা বিস্ফোরণে বিয়েবাড়ির ছাদ ধসে যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ও আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, নিরাপত্তা কর্মীরা এলাকাটি ঘিরে ফেলেছে। চলছে তল্লাশি অভিযান। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এলাকার শান্তি কমিটির নেতা ওয়াহেদুল্লাহ মাহসুদ ওরফে জিগরি মাহসুদ।

এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি গোষ্ঠীই হামলার দায়স্বীকার করেনি। তবে মনে করা হচ্ছে, সম্ভবত তেহরিক-ই-তালিবান থাকতে পারে এই হামলার নেপথ্যে। পাকিস্তানে সাম্প্রতিক কালে এই জঙ্গি গোষ্ঠী লাগাতার হামলা চালিয়েছে। এবারও তারাই হামলা চালিয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। 

চলতি মাসের শুরুতে খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় সশস্ত্র হামলাকারীরা এক শান্তি কমিটির চার সদস্যকে হত্যা করেছিল। ২০২২ সালের নভেম্বরেও একই প্রদেশে একটি শান্তি কমিটির কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। এতে মৃত্যু হয় ৭ জনের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.