Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Afghanistan

ইসলামের সমর্থন না থাকলে খবর নয়! এবার সংবাদমাধ্যমের উপর ফতোয়া জারি তালিবানের

নয়া নিষেধাজ্ঞায় দিশেহারা সাংবাদিকরা, চিন্তায় সংবাদমাধ্যম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১, ২১:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১, ২১:৫৯

options
link
ইসলামের সমর্থন না থাকলে খবর নয়! এবার সংবাদমাধ্যমের উপর ফতোয়া জারি তালিবানের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পেশি শক্তিতে দেশের ক্ষমতা দখল করার পরই প্রত্যাশামতো স্বৈরাচার শুরু করেছিল তালিবান (Taliban)বাহিনী। এবার তারা আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যমের উপরও ফতোয়া জারি করল। বলা হল, ইসলামে সমর্থন নেই, এমন কোনও বিষয় নিয়ে খবর করা যাবে না। জাতির ভাবাবেগে আঘাত করতে পারে, এমন বিষয়ের উপরও কোনও সংবাদ প্রকাশিত হবে না। তালিবানের নয়া ফতোয়ায় তীব্র আতঙ্কে সেখানকার সাংবাদিক মহল। অনেক সংস্থাই ব্যবসা কাটছাঁট করে শুধুমাত্র অনলাইন প্রকাশনার দিকে ঝুঁকছে।

শুধু এটুকুই নয়, সাংবাদিকরা (Journalists) কোন বিষয়ের উপর লেখালেখি করবেন, তাও প্রায় ঠিক করে দিচ্ছে জঙ্গিবাহিনী। বলা হচ্ছে, ‘নতুন’ আফগানিস্তানের ভাল পরিবর্তনগুলি নিয়ে বেশি করে খবর প্রকাশিত হোক। এছাড়া তালিবান সরকারের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে তবেই খবর করতে হবে, এই বিধিনিষেধও জারি করেছে আফগানিস্তানের শাসকদল। দেশের সংবাদমাধ্যমের উপর তালিবানের এই নয়া নীতিতে থরহরিকম্প দশা সাংবাদিকদের। অনেকেই চাকরি ছাড়তে চেয়ে পত্রিকার দপ্তরে ইমেল পাঠাচ্ছেন। কেউ বা এতদিনকার ধরন বদলে নতুন করে কাজের পরিকল্পনা করছেন। কারও অবস্থা আবার আরও খারাপ। বুঝেই উঠতে পারছেন না কীভাবে তালিবান শাসনের মাঝে নিরপেক্ষভাবে পত্রিকার নীতি স্থির করবেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আফগান মাটি ব্যবহার করে সন্ত্রাস চলবে না’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে বার্তা মোদির]

মার্কিন এক সংবাদ সংস্থার আফগানিস্তান শাখার এক বর্ষীয়ান সাংবাদিক স্টিভ বাটলার। তিনি বলছেন, ”সাংবাদিকরা খুব ভয় পেয়েছেন। আমাদের সংস্থায় প্রচুর চিঠি এসে পৌঁছেছে। সবাই সাহায্য চাইছেন।” রিপোর্ট বলছে, আফগানিস্তান তালিবানের দখলে যাওয়ার পর থেকে অন্তত ১৫০টি সংবাদপত্রের অফিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তার একটা কারণ যদি তালিবানি আতঙ্ক হয়, অপর কারণ অবশ্যই সংস্থার আর্থিক অনটন। গত কয়েক মাসে দেশের অভ্যন্তরে নিরন্তর লড়াইয়ের কারণে যেভাবে তলানিতে ঠেকেছে আর্থিক পরিস্থিতি, তাতে সংবাদপত্রের অফিস চালানো অসম্ভব হয়ে উঠেছিল।

[আরও পড়ুন: সেলফিতে মেতেছে তালিবান! রেগে কাঁই মোল্লা ওমরের ছেলে, অডিও বার্তায় কড়া ধমক]

কোনও কোনও পত্রিকা দপ্তরের অভিযোগ, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের কাজে তালিবান বাহিনী মাঝেমধ্যেই এত হস্তক্ষেপ করছে যে কাজ করা দায় হচ্ছে। রাজনৈতিক বিতর্ক, জনস্বার্থে অনুষ্ঠান কিংবা গানের অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে বারবার চ্যানেলগুলিকে এমন কিছু সম্প্রচারে বাধ্য করা হচ্ছে, যা শুধু জঙ্গিবাহিনীরই পছন্দ। এছাড়া যখনতখন সাংবাদিকের উপর অত্যাচার, সংবাদমাধ্যমের স্টুডিওয় ঢুকে বন্দুকের নলের সামনে রেখে কাজ করানো – এসব তো চলছেই। আর শনিবার একেবারে ফতোয়া জারি হল। সবমিলিয়ে, আফগানিস্তানের জনগণের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের (Media) স্বাধীনতার উপরও বড়সড় কোপ পড়ল বলেই মত আন্তর্জাতিক মহলের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.