BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

আফগানিস্তান ছাড়ছে মার্কিন সেনা, ১৫০০ তালিবান জঙ্গিকে মুক্তি দিলেন ঘানি

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: March 11, 2020 10:14 am|    Updated: March 11, 2020 10:14 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানে চলা গৃহযুদ্ধ শেষ করতে বড়সড় পদক্ষেপ করলনে প্রেসিডেন্ট আশরফ ঘানি। মঙ্গলবার ১ হাজার ৫০০ তালিবান জঙ্গির মুক্তির আদেশপত্রে স্বাক্ষর করেন তিনি। পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তুলতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি কাবুলের। 

[আরও পড়ুন: করোনা ঠেকাতে অ্যালকোহল সেবন, ইরানে বিষক্রিয়ায় প্রাণ গেল ২৭ জনের]

বিবিসি সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট ঘানির আদেশ মতে, যে জঙ্গিদের জেল থেকে ছাড়া হবে তাদের ফের লড়াইয়ের ময়দানে না নামার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। প্রত্যেক দিন ১০০ জন করে পনেরো দিনে ১ হাজার ৫০০ জন তালিবান বন্দিকে জেল থেকে ছাড়া হবে। বদলে ১ হাজার বন্দি আফগান সেনাকে মুক্তি দেবে উগ্রপন্থী সংগঠনটি। বন্দি বদলের পাশাপাশি শীর্ষ তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে লড়াই শেষ করে দেশে শান্তি ফেরাতে আলোচনা চালাবেন ঘানি প্রশাসনের অধিকারিকরা। 

তালিবান ও আফগান সরকারের মধ্যে আলোচনার পথ প্রশস্ত হলেও রাস্তাটি মোটেও সহজ নয়। সংবাদ সংস্থা এএফপিকে এক শীর্ষ তালিবান নেতা জানিয়েছেন, সরকারের হাতে তালিবান বন্দিদের একটি তালিকা তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় নাম থাক সকলকেই মুক্তি দিতে হবে। এর অন্যথা হলে লড়াই চলবে। তিনি আরও অভিযোগ জানিয়েছেন, বন্দি বদল পর্বে বেছে বেছে বৃদ্ধ ও সাজার মেয়াদ উত্তীর্ণ তালিবান সদস্যদের মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে আফগান সরকার।       

এদিকে, আফগানিস্তানে প্রেসিডেন্ট আশরফ ঘানি ও আবদুল্লা অবদুল্লার মধ্যে চলা ক্ষমতার লড়াইয়ে দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক সংকট। সোমবার রাজধানী কাবুলে দ্বিতীয়বারের জন্য আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি পদে শপথ গ্রহণ করেন ঘানি। একই দিনে অন্য আরও একটি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজিত করেন আবদুল্লা। তবে আন্তর্জাতিক মহল ঘানির সরকারকেই স্বীকৃতি দিয়েছে। 

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারের রাজধানী দোহায় তালিবানের শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তির শর্ত মেনেই আফগানিস্তানের হেলমন্দ ও হেরাত প্রদেশের সেনাঘাঁটি থেকে মার্কিন ফৌজ বিদায় নিচ্ছে। আমেরিকার সঙ্গে তালিবানদের শান্তি চুক্তি হওয়ার পরেও তাই বিক্ষিপ্ত ভাবে কিছু হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ক্রমাগত এই চাপের মুখে তালিবানদের প্রতি নরম মনোভাব দেখাতে বাধ্য হয়েছে আফগান সরকার বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।                 

[আরও পড়ুন: মারণ জীবাণু সংক্রমণের মাঝেই ইটালির জেলে বিক্ষোভ, সংঘর্ষে মৃত ৬]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement