Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কাবুলে জঙ্গি হানায় অস্ত্র সরবরাহ করেছে পাক সেনা, দাবি আফগান কূটনীতিকের

এখনও সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই অব্যাহত

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০১৮, ০৭:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০১৮, ০৭:৫৯

options
link
কাবুলে জঙ্গি হানায় অস্ত্র সরবরাহ করেছে পাক সেনা, দাবি আফগান কূটনীতিকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে জঙ্গি হানার ঘটনায় পাক সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে। এমনটাই দাবি করল আফগানিস্তান। এদিন সকালেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীরা তা রুখে দেয়। এখনও সংঘর্ষ জারি রয়েছে। এই নাশকতা চালাতে লস্কর-ই-তৈবাকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে পাকিস্তানি সেনা। এক টুইট বার্তায় এমনই অভিযোগ করেছেন আফগান কূটনীতিক মাজিদ কারার।

[শিখ তরুণীর আইসিসে যোগ, সাজা ঘোষণা ব্রিটিশ আদালতে]

কূটনীতিকের অভিযোগ, কাশ্মীর ও আফগানিস্তানে নাশকতা চালাতে জঙ্গিদের প্রত্যক্ষ মদত দিচ্ছে পাকিস্তান। সেনা ব্যারাক থেকেই চলছে প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ। সোমবার সকালে আফগান সেনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জঙ্গিহানার ঘটনায় পাক সেনার প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে। জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা ও তালিবানকে সব রকম সাহায্য করছে পাক সেনা। মাইওয়ান্দের সেনা ব্যারাক থেকে ধৃত জঙ্গিদের কাছে রাতচশমা পাওয়া গেছে। মূলত রাতে স্পষ্ট দেখতে পাওয়ার জন্যই সীমান্ত প্রহরীরা এই চশমা ব্যবহার করে। ধৃত জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া রাতচশমা গুলির নির্মাতা সংস্থার ঠিকানা ব্রিটেন। বলাবাহুল্য, ওই সংস্থা থেকেই রাতচশমা কেনে পাকিস্তান সেনা। এই ধরনের চশমা শুধু সেনাবাহিনীকেই সরবরাহ করা হয়।

Advertisement

এদিন ভোর পাঁচটা নাগাদ রাজধানী কাবুলের মিলিটারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জঙ্গি হানার ঘটনা ঘটে। গেট ভেঙে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করে জঙ্গিরা। নিরাপত্তারক্ষীদের ছত্রভঙ্গ করতে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটাতে থাকে। সেনার তৎপরতায় কিছুক্ষণের মধ্যেই পাকড়াও হয় এক জঙ্গি। নাশকতা প্রসঙ্গে আফগান প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র শাহহুসাইন মুর্তাজাই বলেছেন, অ্যাকাডেমির প্রথম গেটেই জঙ্গিদের রুখে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকেই মুহূর্মুহূ গুলি ছুটে আসছে। এখনও সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই অব্যাহত রয়েছে। ঠিক কতজন জঙ্গি ঘটনাস্থলে রয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, গত দু সপ্তাহ ধরে পরের পর নাশকতার ঘটনা ঘটছে আফগানিস্তানে। গত সপ্তাহে কাবুলের এক নামী হোটেলে তালিবানি বন্দুকবাজ হামলা চালায়। এই ঘটনায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের বেশিরভাগই বিদেশি। এর পরেই গত বৃহস্পতিবার সেভ দ্য চিলড্রেন নামের এনজিও-র দপ্তরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার আগে ফের গাড়িবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেহদাত স্কোয়ারের কাছে একটি অ্যাম্বুল্যান্সে বিস্ফোরক রাখা ছিল। কাছেই জনপ্রিয় চিকেন স্ট্রিট। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গেই লাগোয়া পুরনো মন্ত্রকের ভবনটির একাংশ ভেঙে পড়ে। এই ঘটনায় ১০৩জনের মৃত্যু হয়েছে।

[৯৯-এর যুবতীকে ‘জন্মদিন’ উপহার দিল এই হাসপাতাল]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.