Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Cambodia

আমেরিকা-চিনের মধ্যস্থতায় সংঘর্ষবিরতি, চুক্তি মেনে কম্বোডিয়ার ১৮ জন সেনাকে মুক্তি দিল থাইল্যান্ড

ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে শান্তিচুক্তি ভেঙে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৫:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৫:১৭

options
link
আমেরিকা-চিনের মধ্যস্থতায় সংঘর্ষবিরতি, চুক্তি মেনে কম্বোডিয়ার ১৮ জন সেনাকে মুক্তি দিল থাইল্যান্ড zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিন সপ্তাহেরও বেশি চলতে থাকা সীমান্ত যুদ্ধে ইতি টেনেছে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া। সূত্রের খবর, আমেরিকা-চিনের মধ্যস্থতায় সংঘর্ষবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ। চুক্তির শর্ত মেনে এবার কম্বোডিয়ার ১৮ জন সেনাকে মুক্তি দিল থাইল্যান্ড।

কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র মালি সোচেতা বলেন, “ওই ১৮ জন সেনাকর্মী প্রায় ১৫৫ দিন থাইল্যন্ডে বন্দি ছিলেন। সম্প্রতি তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা নাগাদ তাঁদের হস্তান্তর করা হয়েছে।” কম্বোডিয়ার বাত্তামবাং প্রদেশের গভর্নর সোক লু মুক্তিপ্রাপ্ত সেনাকর্মীদের ‘বীর’ আখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে, থাইল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, বন্দি সেনাকর্মীদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন এবং নীতি অনুসারেই আচরণ করা হয়েছে। তারা স্পষ্ট করেছে, বন্দি সেনাকর্মীদের উপর কোনও অত্যাচার করা হয়নি।

Advertisement

গত বছরের জুলাই মাসে টানা পাঁচদিন যুদ্ধ চলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই দেশের মধ্যে। অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয় দুপক্ষে। তিনদিন গোলাবর্ষণের পর থাইল্যান্ডের কাছে যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানায় কম্বোডিয়া। যদিও সে প্রস্তাব কানে তোলেনি থাইল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতায় সম্পূর্ণ সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় দু’পক্ষ। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, তাঁর প্রচেষ্টাতেই হিংসা বন্ধে রাজি হয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। অক্টোবর মাসে শান্তিচুক্তিতে সই করে দু’পক্ষ।

কিন্তু গত ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে শান্তিচুক্তি ভেঙে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া। হামলা এবং পালটা হামলায় মৃত্যু হয় বহু মানুষের। গৃহহীন হয়ে পড়েন অনেকে। যুদ্ধ থামাতে দু’দেশকে বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তারপরই শান্তি ফেরাতে তৎপর হয় দুই দেশ। ২৭ ডিসেম্বর থাইল্যান্ডের চান্থাবুরিতে থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাথাফন নারকফানিত এবং কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী টি সেইহা বৈঠক করেন। তারপরই সংঘর্ষবিরতির সিদ্ধান্ত নেয় দু’দেশ।

উল্লেখ্য, ‘এমারেলড ত্রিকোণ’ নামের একটি এলাকা নিয়ে দুই দেশের সংঘাত দীর্ঘদিনের। যেখানে কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড এবং লাওসের সীমানা মিলিত হয়েছে। ‘এমারেলড ত্রিকোণে’ রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রাচীন মন্দির। ওই মন্দিরগুলিকে নিয়ে সংবেদনশীল তিন দেশের সাধারণ মানুষেরা। এলাকাটির দখল নিয়ে বছর পনেরো আগেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.