২৬  শ্রাবণ  ১৪২৯  শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

‘ব্রেক্সিট’-এর জন্য পার্লামেন্টের সমর্থন পেয়ে গেলেন টেরেসা মে

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: February 3, 2017 3:27 am|    Updated: February 3, 2017 3:27 am

theresa may get support from UK parliament on brexit

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ব্রেক্সিট’-এর পথে আরও এক ধাপ এগোল ব্রিটেন৷ বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে ব্রিটিশ সংসদে যে প্রস্তাব পেশ হয়েছিল, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সেটি পাশ হয়েছে৷ শাসক দল কনজারভেটিভ (টোরি) ও প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির বেশ কয়েকজন এমপি দলীয় হুইপ অমান্য করে প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলেও লাভ হয়নি৷ ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বেরিয়ে আসার জন্য আলোচনা শুরু করতে টেরেসা মে সরকারের আর কোনও বাধা থাকল না৷ এদিকে, বেক্সিট পরবর্তী অধ্যায়ে মে প্রশাসন ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে৷

(চেন্নাইয়ে আম আদমির চেষ্টায় পরিষ্কার হচ্ছে সমুদ্র)

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যেতে হলে প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে-কে লিসবন চুক্তির ৫০ নম্বর ধারা অনুযায়ী আলোচনা শুরু করতে হবে৷ কিন্তু তার আগে পার্লামেন্টের অনুমোদন নেওয়া জরুরি বলে রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ সেই নির্দেশ অনুযায়ী পার্লামেন্টে খসড়া প্রস্তাব পেশ করে সরকার৷ শাসক-বিরোধী দলের ৪৯৮ জন এমপি প্রস্তাব সমর্থন করেছেন৷ বিপক্ষে ভোট দেন ১১৪ জন৷ উভয় দলেই বিদ্রোহের আগুন দেখা গিয়েছে৷ দলীয় হুইপ অমান্য করে ভোট দেন বেশ কয়েকজন এমপি৷ শাসক টোরিদের প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন চ্যান্সেলর কেন ক্লার্ক প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন৷ আবার লেবার পার্টির ৪৭ জন এমপি দলের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে গিয়ে ভোট দেন৷ তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নাতনি তথা হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্নের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকও৷ ইংল্যান্ডের এমপি-রা বিপুল সংখ্যায় ব্রেক্সিট সমর্থন করেছেন৷ কিন্তু স্কটল্যান্ডের স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি, ওয়েলসের পার্টি অফ ওয়েলস ও লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ব্রেক্সিট-এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছে৷ ফল প্রকাশের পরই টেরেসা মে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর ব্রেক্সিট সংক্রান্ত কৌশল নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেন৷ চলতি বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে লিসবন চুক্তির ৫০ নম্বর ধারায় আলোচনা শুরু করতে চান বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি৷

(কেন মেয়ের বিয়েতে পণ দিতে হয়, শেখাচ্ছে পাঠ্যবই)

গত বছরের জুনে ব্রেক্সিট নিয়ে ব্রিটেনে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়৷ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে রায় দেন ৫২ শতাংশ মানুষ৷ নীতিগতভাবে ব্রেক্সিটবিরোধী হলেও রায় মেনে সরকার পদক্ষেপ করে৷ ব্রিটিশ বিদেশসচিব বরিস জনসন বলেন, “ইতিহাস তৈরি হল৷ হতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ছি৷ কিন্তু ইউরোপ ছাড়ছি না৷” ব্রেক্সিট-এর পর ব্রিটেন নতুন পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ করবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন৷

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে