Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ব্রেক্সিট ইস্যুতে বিরোধীদের হুঁশিয়ারি টেরেসা মে-র

ব্রেক্সিট সচিবের পদত্যাগে বিপাকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৫, ২০১৮, ১৭:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৫, ২০১৮, ১৭:৫৫

options
link
ব্রেক্সিট ইস্যুতে বিরোধীদের হুঁশিয়ারি টেরেসা মে-র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্রেক্সিট নিয়ে নজিরবিহীন দোটানায় ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। সাংসদ তথা আমলাদের গণ-ইস্তফার মধ্যেই হুঁশিয়ারি দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। তাঁর সাফ কথা, “হয় আমার তৈরি খসড়া স্বীকার করুন, নইলে ব্রেক্সিট চুক্তিই হবে না।” উল্লেখ্য, টেরেসার তৈরি ড্রাফট মানতে নারাজ ‘হাউস অব কমনস’-এর বহু সদস্য। বিরোধী দলগুলিরও একাংশ এই ড্রাফটের বিরোধিতা করছেন। তাদের দাবি, টেরেসা যে খসড়া তৈরি করেছেন তাতে ব্রিটেনের স্বার্থ রক্ষিত হয়নি। আর এই অভিযোগ তুলে, মন্ত্রিসভায় পদত্যাগের হিড়িক পড়ে গিয়েছে। এমনকী প্রধানমন্ত্রী মে-র ব্রেক্সিট সচিব ডমিনিক রাব নিজেও পদত্যাগ করেছেন। এছাড়াও মন্ত্রিসভার আরও ৩ গুরুত্বপূর্ণ সদস্য পদত্যাগ করেছেন।

[কাশ্মীরকে সামলাতে পারবে না পাকিস্তান, ব্রিটেনে বিস্ফোরক আফ্রিদি]

স্বাভাবিকভাবেই, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়া নিয়ে বেশ চাপে প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। চাপের মুখে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সব দলের সাংসদদের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। মে বলেন, “আমাদের কাছে তিনটি বিকল্প আছে, এক- কোনও শর্ত আরোপ না করেই ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসব, দুই- ব্রেক্সিট চুক্তিটাই হবে না, তিন- সকলে একত্রিত হয়ে সুচিন্তিত একটি খসড়া তৈরি করব। ব্রিটেনের মানুষ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছেন, আমরা যদি চুক্তিটি সম্পূর্ণ করতে পারি তাহলে গোটা দেশকে একত্রিত করতে পারব।”

Advertisement

[সাংবাদিককে ঢুকতে না দেওয়ায় হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সিএনএন-এর মামলা]

উল্লেখ্য, দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ২০১৭-র ফেব্রুয়ারিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার জন্য প্রস্তাবিত বিল পাশ হয়ে যায় ব্রিটিশ পার্লামেন্টে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যে ব্রিটিশ সংসদে যে প্রস্তাব পেশ হয়েছিল, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সেটি পাশ হয়৷ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরনোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে লিসবন চুক্তির ৫০ নম্বর ধারা অনুযায়ী আলোচনা শুরু করেন, এবং একটি খসড়া তৈরির কাজ শুরু করেন। সেই খসড়া নিয়েই যত আপত্তি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের।বিশেষ করে সুর চড়িয়েছেন ডানপন্থী রাজনৈতিকরা, যার জেরেই গণইস্তফা দেওয়া শুরু করেন পার্লামেন্টের সদস্যরা। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.