৯ মাঘ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৯ মাঘ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনামী স্কটিশ নদীর তলদেশ থেকে ১২১.৩ গ্রাম ওজনের সোনার তাল আবিষ্কার করলেন এক স্বর্ণশিকারি ডুবুরি। সমুদ্র, নদীর নিচ থেকে সোনা, মহামূল‌্যবান পাথর ও গুপ্তধন খোঁজাই তাঁর নেশা। দু’টুকরো হয়ে যাওয়া এই সোনার তালটির ওজন ভারতীয় মুদ্রায় কয়েক কোটি। এই প্রথম এত বড় ২২ ক‌্যারেটের সোনা পাওয়া গেল ব্রিটেনে। 

স্কটল্যান্ডের কাছে যে দ্বীপের নদী থেকে সোনাটি পাওয়া গিয়েছে, সেই দ্বীপের মালিক এবং গুপ্তধন সন্ধানকারী নিজেদের নাম সংবাদমাধ‌্যমের কাছে প্রকাশ করতে রাজি হননি। সুরক্ষার খাতিরেই এই গোপনীয়তা। এমনকী ওই স্থানে কোনও সোনার খনি চাপা পড়ে আছে কিনা তা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা। সূত্রের খবর, ওই ডুবুরি-শিকারি ফের ওই জায়গায় অভিযান করার জন‌্য প্রস্তুত হচ্ছেন।

কীভাবে উদ্ধার হল সোনা? ওই স্বর্ণশিকারি এক ব্রিটিশ ধাতু বিশেষজ্ঞকে জানিয়েছেন, স্নরকেল ও ড্রাই শ্যু‌ট পরে মাঝে মাঝেই ইংল‌্যান্ড, স্কটল‌্যান্ডের নানা অজানা নদীতে বহুমূল্যের পাথর খুঁজতেন। ডুবুরিরা যেমন পোশাক পরে তেমনই পোশাকে নদীর তলদেশে মুখ করে সাঁতরে বেড়াতেন তিনি। সঙ্গে থাকত একটি বিশেষ ব‌্যাগ। বিচিত্র সব পাথর পেলেই সেই ব‌্যাগে ভরে রাখতেন। এই সোনার টুকরোগুলি কুড়িয়ে পাওয়ার সময়ও বুঝতে পারেননি ব্রিটেনের ইতিহাসে এত বড় সোনার তাল আগে কখনও উদ্ধার হয়নি। পাথর সংগ্রহ করে জলের উপরে উঠে আসার দু’দিন পর ব‌্যাগ খুলে বুঝতে পারেন, পাথর ভেবে কুড়িয়ে আনা সোনালি বস্তুটি আসলে ২২ ক‌্যারেটের নিখাদ সোনা।

[আরও পড়ুন: মজায় হল সাজা, ক্লাসে ‘নাগিন ডান্স’ করে বরখাস্ত সরকারি স্কুলের শিক্ষক ]

ধাতু বিশেষজ্ঞদের দাবি, সোনার টুকরো দু’টি আগে জোড়া ছিল। জলের নিচে কোনও ভারী পাথর বা হিমবাহ ওর উপর চাপা পড়লে সেটা ভেঙে যায়। এখন দু’টিকে পাশাপাশি রাখলে মাঝখানে গর্ত দেখা যায়। ডোনাটের মতো দেখতে লাগে। তবে টুকরো হলেও সোনার গুণমানের কোনও ক্ষতি হয়নি। দামও নেহাত কম হবে না। অ‌্যাডভেঞ্চার প্রিয় ওই ব্রিটিশ ডুবুরি প্রথমে ৮৯.৬ গ্রামের বড় সোনার টুকরোটি পান। তারপর দ্বিতীয় খণ্ডটি আরও দশ মিনিট পর ৩০ সেন্টিমিটার দূরে পান। 

কে কিনবেন এই বহুমূল্যের ঐতিহাসিক সোনা। স্বর্ণ গবেষক লি পালমারের অনুমান, স্কটল‌্যান্ডের জাতীয় মিউজিয়াম বা ন‌্যাশনাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ প্রাচীন স্বর্ণ টুকরোগুলি কিনবে। তারাই গবেষণা করে জানাতে পারবেন ওই স্বর্ণতালের বয়স কত? তবে আইন মোতাবেক লন্ডনের ক্রাউস এস্টেটের হাতে প্রথমে তুলে দিতে হবে মহার্ঘ‌্য বস্তুটি। এতদিন ব্রিটেনে যে সোনার তাল সবচেয়ে বড় ছিল সেটি ৫০০ বছর আগে এক ব‌্যক্তি স্কটিশ নদী থেকে উদ্ধার করেছিলেন। সোনাটির ওজন ছিল ৮৫.৭ গ্রাম।

[আরও পড়ুন: ছক ভাঙা শুভদৃষ্টি, কনের পিঁড়ি ধরে নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়োল মহিলা ব্রিগেড]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং