BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘গাছ রাতে অক্সিজেন দেয়’, মন্তব্যের জেরে নেটদুনিয়ায় হাসির খোরাক ইমরান খান

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: November 28, 2019 9:20 pm|    Updated: November 28, 2019 9:39 pm

An Images


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের তৃতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বিশ্বজুড়েই রহস্য তৈরি হয়েছে। তাঁর ছায়া নাকি আয়নাতে ধরা পড়ে না এরকম কথাও ভাসে পাকিস্তানের বাতাসে। যার ফলে সেদেশে ওই মহিলাকে নিয়ে যেমন আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। তেমনি এর জন্য ইমরানকে হাসির পাত্র হতে হয়েছে গোটা বিশ্বজুড়ে। স্ত্রীর জাদুবিদ্যার জন্যই তিনি নাকি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বলেও খবর। বিষয়টি যাই হোক না কেন এই নিয়ে ঘরে-বাইরে কটাক্ষ শুনতে হয় তাঁকে। এই সবের মাঝেই রাতের বেলায় গাছ অক্সিজেন দেয় মন্তব্য করে নেটদুনিয়ায় ফের হাসির খোরাক হলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। টুইটারে তাঁর এই বক্তব্যের ভিডিও পোস্ট হতেই ভাইরাল হয়েছে। এই মন্তব্যের জন্য তাঁকে নোবেল ছুঁড়ে মারার প্রস্তাব দিয়েছেন অনেক নেটিজেন।

[আরও পড়ুন: ইসলামাবাদের ছক ভেস্তে রাষ্ট্রসংঘে নয়াদিল্লির পাশেই বাকি দেশগুলি]

বিষয়টির সূত্রপাত হয় বুধবার। পাকিস্তানের এক মহিলা সাংবাদিক নায়লা ইনায়ত টুইট করেন ইমরানের বহুচর্চিত ওই ভিডিওটি। পাশাপাশি তাঁকে কটাক্ষ করে আইনস্টাইন খান বলেও উল্লেখ করেন। ১৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যাচ্ছে, গত ১০ বছরে বিশ্বের ৭০ শতাংশ বনাঞ্চল কেটে ফেলা হয়েছে। এর কুফলের মুখোমুখি হতে হবে আমাদের। কারণ, গাছ বাতাস পরিষ্কার করে ও রাতে অক্সিজেন সরবরাহ করে। এর ফলে বাতাস পরিশুদ্ধ হয়। বায়ুমণ্ডলে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইড টেনে নিয়ে নির্মল বাতাসের যোগানও বাড়ায় গাছ। কিন্তু, নির্বিচারে তাদের কেটে ফেলার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে হিন্দুদের ফেরাতে ইজরায়েলী মডেল, ইঙ্গিত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের]

ইমরানের এই বক্তব্যের জেরে হাসির রোল উঠেছে নেটিজেনদের মধ্যে। কেউ কেউ যেমন তাঁকে নোবেল ছুঁড়ে মারার প্রস্তাব দিয়েছেন। তেমনি কেউ কেউ তাঁকে ফের স্কুলে ফেরার পরামর্শ দিয়েছেন। অনেকে আবার ব্যঙ্গ করে বলছেন, উনি দিনরাতের মধ্যে গোলমাল করে ফেলেছেন। আসলে দিনের বেলায় কার্বন ডাই অক্সাইড টেনে সালোকসংশ্লেষের মাধ্যমে অক্সিজেন তৈরি করে গাছ। তিনি তাই বলতে গিয়েছিলেন। কিন্তু, মুখ ফসকে সেটা রাত হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement