সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের উৎস থেকে শুরু করে তথ্য চুরি। চিনের সঙ্গে ক্রমেই সংঘাতের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা। এবার পারদ আরও চড়িয়ে, চরবৃত্তির অভিযোগে চিনা সংস্থা Huawei-এর উপর বাড়তি নিষেধাজ্ঞা চাপাল ট্রাম্প প্রশাসন।
[আরও পড়ুন: ১৮ আগস্ট নেতাজির ‘মৃত্যুদিন’, একযোগে টুইট কংগ্রেস ও বিজেপি নেতাদের, শুরু বিতর্ক]
সোমবার এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প Huawei-এর বিরুদ্ধে চিনের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমরা চাই না ওই সংস্থাটির সরঞ্জাম বা যন্ত্রাংশ আমেরিকায় থাকুক। কারণ সেগুলি ব্যবহার করে তারা (চিন) আমাদের উপর নজর রাখছে। যে দেশগুলি ওই সংস্থার সঙ্গে কাজ করবে বা তাদের সরঞ্জাম ব্যবহার করবে, তাদের সঙ্গে আমরা কোনও গোয়েন্দা তথ্য ভাগ করব না।”
জানা গিয়েছে, Huawei-এর উপর চাপ বাড়িয়ে সোমবার থেকে সংস্থাটির উপর একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর। এর ফলে মোবাইল ফোন তথা কম্পিউটার তৈরিতে অত্যন্ত জরুরি ‘চিপ’ সংক্রান্ত প্রযুক্তি (chip technology) পাবে না Huawei। চিনা সংস্থাটির এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, চরবৃত্তির সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে তাদের কাছে চিপের জোগান ফুরিয়ে আসছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে জে এবার স্মার্টফোন উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হবে তারা। ‘Fox Business’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন বাণিজ্য সচিব উইলবার রস জানিয়েছেন, Huawei-এর বিরুদ্ধে নয়া পদক্ষেপ প্রত্যক্ষভাবে আমেরিকা-চিন বাণিজ্য আলোচনার সঙ্গে যুক্ত নয়। এটা অনেকটাই আইন মানা বা না মানার বিষয়।
উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে নিরাপত্তা ও তথ্যচুরির অভিযোগে ব্রিটেনেও জোর ধাক্কা খেয়েছে Huawei। চলতি বছরের মধ্যেই ব্রিটেনে হুয়েইয়ের প্রযুক্তি ধাপে ধাপে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বরিস জনসন। বলাইবাহুল্য, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এই ভাবনা সিদ্ধান্তে পরিণত হলে বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে চিন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের খবর অনুয়ায়ী, চিনা (China) কোম্পানি থেকে কী কী ঝুঁকি আসতে পারে, জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশের জনগণের কতটা বিপদ হতে পারে সেসব নতুন করে খতিয়ে দেখেছে ব্রিটেনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ব্রিটেনের গুপ্তচর সংস্থাও ইতিমধ্যে সম্প্রতি চিনা প্রযুক্তির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছে। ব্রিটেনের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের দেওয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে, তার ফলে চিনা সংস্থাটি ভরসাযোগ্যহীন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে। তারপরই বরিস জনসন ফাইভ-জি নীতিতে বড় বদলের উদ্যোগ নিয়েছেন।
[আরও পড়ুন: ভারতীয়দের মন জয়ের চেষ্টা, কমলা হ্যারিসের প্রেস সচিব পদে ‘দেশি গার্ল’ সাবরিনা সিং]
সর্বশেষ খবর
-
১৯৭০-এর মডেল, ৬,১৭৫ গ্রাম সোনা! ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফির দাম শুনলে চমকে যাবেন
-
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা আলাপনের স্ত্রীর! সোনালি চক্রবর্তীর পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা
-
শৈশবের ট্রমা সহজে কাটে না! প্রভাব পড়তে পারে প্রেমের সম্পর্কেও, বোঝা যায় এই লক্ষ্মণেই
-
সপ্তাহে ২ দিন হাওড়ার মঙ্গলাহাটে হকারদের বসার অনুমতি, শর্ত বেঁধে দিল প্রশাসন
-
এবার রাডারে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ‘টাকা আসত কোথা থেকে?’, প্রশ্ন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথের