Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Donald Trump

গ্রিনল্যান্ডে আগ্রাসী ট্রাম্প, এবার ডেনমার্ক, ফ্রান্স-সহ আট দেশের উপর চাপালেন ১০ শতাংশ শুল্ক!

ট্রাম্প বাড়তি শুল্ক চাপালেন সুইডেন, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ডের উপরেও। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০০:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০০:২৫

options
link
গ্রিনল্যান্ডে আগ্রাসী ট্রাম্প, এবার ডেনমার্ক, ফ্রান্স-সহ আট দেশের উপর চাপালেন ১০ শতাংশ শুল্ক! zoom

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ক্রমশ উত্তাপ বাড়ছে। আগেই গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যার পর যৌথ সামরিক মহড়ার অছিলায় ডেনমার্ক নিয়ন্ত্রিত সেনা পাঠিয়েছে ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত ইউরোপের একাধিক দেশ। এই অবস্থায় হাতে না মেরে ভাতে মারার ব্যবস্থা করলেন ট্রাম্প। ট্রুথ সোশালের একটি পোস্টে তিনি জানালেন, এবার থেকে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ড থেকে আমদানি করা পণ্যের উপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক চাপাবে আমেরিকা। এই শুল্ক লাগু হবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে।

এখানেই না থেমে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে তাঁর মনের মতো চুক্তি না হয় তবে ১ জুন থেকে মার্কিন মুলুকে ওই দেশ থেকে আসা পণ্যের উপরে ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপাবেন তিনি। আরও বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইউরোপীয় দেশগুলিকে “ভর্তুকি” দিয়ে আসছে আমেরিকা। এখন ডেনমার্কের প্রতিদান দেওয়ার সময় এসেছে। কারণ “বিশ্ব শান্তি ঝুঁকির মুখে”। সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প দাবি করছেন বিশ্বশান্তি এবং নিরাপত্তার জন্য এই কঠিন পদক্ষেপ করা (শুল্ক চাপানো) অত্যন্ত জরুরি ছিল। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পর গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সংঘাত চরমে পৌঁছাতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

উল্লেখ্য, প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালিয়ে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের এই মন্তব্যের সমালোচনাও করেছে ইউরোপের একাধিক দেশ। তাদের মধ্যে অন্যতম জার্মানি। বুধবার সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ডেনমার্কের আমন্ত্রণে ১৩ জন সেনা আধিকারিককে গ্রিনল্যান্ডে পাঠাচ্ছে তারা। সেই পথে হেঁটে বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপে সেনা পাঠাচ্ছে সুইডেন, ফ্রান্স, নরওয়ে। শুধু তা-ই নয়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে কনস্যুলেট খোলার কথা জানিয়েছে কানাডা এবং ফান্স।

যদিও ন্যাটো গোষ্ঠীর কোনও দেশে অন্য শরিক দেশের সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত অস্বাভাবিক কিছু নয়। বরং আমেরিকাই দীর্ঘদিন ধরে মেরু প্রদেশে ন্যাটোর মহড়া চালানোর কথা বলে আসছে। উত্তর-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে অন্তত ১৫০ জন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের এভাবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের হুমকির পরে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, আমেরিকা যদি হামলা চালায়, তা হলে সেই মুহূর্তেই ন্যাটো ভেঙে যাবে। ডেনমার্কও মার্কিন হামলার প্রতিরোধ করবে বলেই জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.