Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

পরমাণু বোমার বোতাম আমার টেবিলেও আছে, কিমকে পালটা ট্রাম্পের

কিমকে রক্তচক্ষু ট্রাম্পের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৮, ০৪:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৮, ০৪:৪৪

options
link
পরমাণু বোমার বোতাম আমার টেবিলেও আছে, কিমকে পালটা ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  তাঁর ডেস্কেই আছে পরমাণু বোমার বোতাম। যে কোনও মুহূর্তে আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন তিনি। দিনকয়েক আগে এভাবেই হুমকি দিয়েছিলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উন। এবার তার পালটা এল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের থেকে। কিমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানালেন, পরমাণু বোমার বোতাম তাঁর টেবিলেও আছে। কিমের কানে যেন সে কথা কেউ তুলে দেন।

পরমাণু অস্ত্র আমার মুঠোয়, ফের আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ কিমের ]

Advertisement

পরমাণবিক বোমা উৎক্ষেপণ করা নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার বিবাদ এখন তুঙ্গে। পরমাণবিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় রাশ টানার জন্য এশিয়ার এই দেশটিকে বারবার সতর্ক করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু, তাতে দমবার পাত্র নন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন। পরমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ তো চলছেই, আমেরিকাকে লাগাতার হুমকিও দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বছরের গোড়াতেই বিরোধিতা বাড়িয়েছেন কোরিয়ার সর্বেসর্বা। স্থানীয় একটি টিভি চ্যানেলে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে কিম জং উন বলেছিলেন, ‘আমাদের পরমাণবিক অস্ত্রের সীমার মধ্যে রয়েছে গোটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর পরমাণবিক অস্ত্রে বোতামটিও সবসময় আমার ডেস্কেই থাকে। হুমকি নয়, এটাই বাস্তব।’  তাঁর সংযোজন ছিল, ‘আমাদের নিরাপত্তা যদি বিঘ্নিত হয়, তাহলেই এই অস্ত্রগুলি প্রয়োগ করা হবে।’

প্রত্যুত্তরে টুইট করে ট্রাম্প জানালেন, ‘উত্তর কোরিয়ার নেতা নিজের ডেস্কে পরমাণু বোমার বোতাম থাকা নিয়ে আস্ফালন করেছেন। কেউ কি ওঁকে বলে দেবেন যে, আমার টেবিলেও পরমাণু বোমার বোতাম আছে। এবং ক্ষমতায় সেটি উত্তর কোরিয়ার বোমার থেকে অনেক গুণ বড়।’ এবং তাঁর এ কথা স্রেফ কথার কথা নয়। কিমের হুঁশিয়ারিকে ‘ফাঁকা’ প্রতিপন্ন করে ট্রাম্পের টিপ্পনি, ‘আমার বোতামটি কিন্তু অকেজো নয়। দিব্যি কাজ করে।’ উত্তর কোরিয়াকে ক্ষুধার্ত, পীড়িত অঞ্চল বলেও কটাক্ষ করেন ট্রাম্প। বস্তুত বারবার সতর্ক করার পরও কিমের প্রতিপত্তি খর্ব করা যায়নি। উলটে আমেরিকার চোখরাঙানি যে মানা হবে না, কিম তা নিজের কাজে বারবার বুঝিয়ে দিয়েছেন। চলতি বছরে উত্তর কোরিয়া-আমেরিকা সম্পর্কটা যে কেমন হবে তা শুরুতেই ঠিক করে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। খুব প্রত্যাশিতভাবেই এ ঔদ্ধত্য সহ্য করেননি ট্রাম্প। তাই পালটা রক্তচক্ষু দেখিয়েই কিমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ভারতের কলকাঠিতে পাকিস্তানকে হুমকি আমেরিকার, তোপ হাফিজের ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.