BREAKING NEWS

২৯ শ্রাবণ  ১৪২৭  শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

শুল্ক-সংঘাতের তাপ এড়িয়ে জুনে জিনপিংয়ের সঙ্গে বসছেন ট্রাম্প

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: May 15, 2019 9:41 am|    Updated: May 15, 2019 9:41 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী মাসেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপান সফরে গিয়ে দেখা করবেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে। সোমবার হোয়াইট হাউসের সাংবাদিক বৈঠকে নিজেই জানালেন এ কথা। তিনি আরও জানান, ওই বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও থাকতে পারেন। ট্রাম্প বলেন, “আপনারা সবাই জানেন, আগামী মাসে জাপানে বসতে চলেছে জি-২০ সম্মেলন। বৈঠক সফল হবে, এই আশা রেখেই শি জিনপিংয়ের কথা বলব।”

[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা ফের শুরু করল সুইডেন]

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বৈঠকের কথা জানাজানি হওয়ার পরই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা সমালোচনা শুরু করেছেন। এই বৈঠকে বাণিজ্য-সহ নানা বিষয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এর আগে নভেম্বরে আর্জেন্টিনায় বৈঠকে বসেছিলেন তাঁরা। তারপরেই শুল্ক যুদ্ধে সাময়িক রাশ টেনেছিল দুই দেশ। শুল্ক যুদ্ধের উত্তাপ বাড়িয়ে ফের চিনকে হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার থেকে ২০,০০০ কোটি ডলারের চিনা পণ্যে শুল্ক বাড়িয়েছে তাঁর প্রশাসন। জানানো হয়েছে, চিন থেকে আমদানি করা আরও ৩২,৫০০ কোটি ডলারের পণ্যে ২৫% করে কর বসানোর কথাও। আর এ বার ট্রাম্পের দাবি, এটাই বাণিজ্য চুক্তি করার ভাল সময়। ২০২০ পর্যন্ত অপেক্ষা করলে চিনের পক্ষে তার ফল খারাপ হবে। প্রসঙ্গত, আগামী বছরে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাম্পের কথায়, “চিনের পাশাপাশি ভারতের জন্য জি-২০ সম্মেলন বেশ কাজের। কারণ, মে মাসের ২৩ তারিখ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল। তারপরই স্পষ্ট হবে আগামী সরকার কারা গড়ছে। তাই সরকার গড়ার পর পর জুন মাসে জাপানে জি-২০ সম্মেলন।” সোমবারের সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প মুসলিমদের রমজান মাসের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। নিউজিল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া জঙ্গিহানার তীব্র নিন্দা করেছেন। ট্রাম্পের দাবি, সাম্প্রতিক আলোচনা চিনের পক্ষে ভাল যায়নি। ফলে বেজিং পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। সে ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাট দলের কেউ প্রেসিডেন্ট হলে, চিন এখনকার মতোই ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করছে বেজিং। প্রেসিডেন্টের হুমকি, তাঁর আমলে মার্কিন অর্থনীতির হাল ভাল। ফলে ট্রাম্প জানেন যে, ভোটে তিনিই জিতবেন। তাই পরের ভোট পর্যন্ত অপেক্ষা করলে তাঁর দ্বিতীয় দফায় চিনের পক্ষে ফল ভাল হবে না। বেজিংয়ের উচিত এখনই চুক্তিতে রাজি হওয়া। একই সঙ্গে মার্কিন সংস্থাগুলিকে সে দেশে উৎপাদন বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প। দাবি, শুল্ক থেকে বাঁচার এটাই উপায়।

ট্রাম্প এই হুমকি দিলেও, চিন অবশ্য এখনও পালটা হুমকির পথে হাঁটেনি। বরং আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক নিয়ে আলোচনার দরজা খোলা রয়েছে বলেই জানিয়েছে তাঁরা। বাণিজ্য যুদ্ধে কোনও পক্ষই যে জেতে না, ফের মনে করিয়ে দিয়েছে তা-ও। তবে যদি একান্ত শুল্ক যুদ্ধে যেতে হয়, তা হলে চিনও পিছপা হবে না বলে হুঙ্কার দিয়ে রেখেছে বেজিং।

[সৌদি ট্যাঙ্কারে হামলায় তপ্ত উপসাগর, সন্দেহের তির ইরানের দিকে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement