সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভূমিকম্পে (Earthquake) বিপর্যস্ত তুরস্কে (Turkey) সর্বত্র এখনও মৃত্যুর গন্ধ। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গিয়েছে এক সপ্তাহ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪১ হাজার। কিন্তু এখনও বহু ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আসছে কাতর মানুষের অসহায় আর্তি! উল্লেখ্য, গত ৬ ফেব্রুয়ারি হওয়া ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৮। এরপর বেশ কয়েকটি আফটার শকেরও মুখোমুখি হয় তুরস্ক। যার জেরে কার্যতই বিপর্যস্ত সেখানকার জনজীবন।
এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। দক্ষিণ তুরস্কে ধ্বংসস্তূপের আড়াল থেকে ভেসে আসা কাতরানি শুনতে পেয়েই সেখানে নতুন করে ঝাঁপিয়ে পড়ে উদ্ধারকারীরা। উদ্ধার হয় ৯ জন। এদিকে প্রাণে বেঁচে গেলেও রাতারাতি সর্বস্ব হারিয়ে ফেলা গৃহহীন মানুষরা পড়েছেন চরম আতান্তরে। প্রবল শৈত্য ও খিদের আগুনে জ্বলতে থাকা সেই মানুষদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকায় সন্তুষ্ট নন অনেকেই। তাঁদের দাবি, গৃহহীন মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত সেইভাবে বাড়াচ্ছে না সরকার। যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
[আরও পড়ুন: ‘সেনাবাহিনীতে মুসলিমদের জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ চাই’, নীতীশের দলের নেতার দাবিতে বিতর্ক]
এদিকে উদ্ধারকারীরা চোখের সামনে এমন বিপর্যয় দেখে কার্যতই ভেঙে পড়েছেন। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় উদ্ধারকারী সালাম আলদিন, যিনি তুরস্কের আন্তাক্যা শহরে রয়েছেন, তিনি জানাচ্ছেন, ”আমি কখনও এত মৃত্যু, চোখের সামনে এত মৃতদেহ দেখিনি। গোটা শহরটাই যেন মৃত মানুষের গন্ধে ভরে উঠেছে।” সেদেশের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এর্দোগান অবশ্য জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু ধ্বংস, হাহাকার ও স্বজন হারানো মানুষের অসহায় কান্নায় ভারী হয়ে থাকা মৃত্যুমুখী তুরস্কের শহরগুলির ছবি সেকথা বলছে না।
[আরও পড়ুন: রাজ্যাভিষেকে বিতর্ক চান না, মুকুট থেকে কোহিনূর সরানোর নির্দেশ রানি ক্যামিলার]
সর্বশেষ খবর
-
ইয়ামালের গতি, পেদ্রির ম্যাজিকের সঙ্গে রক্ষণ-কাঁটাও! নতুন ‘তিকিতাকা’য় বিশ্বসেরা হবে স্পেন?
-
কোভিড থেকে আমফান, মহাসংকট মোকাবিলার খতিয়ান দিয়ে কোথায় আক্ষেপ রয়ে গেল প্রাক্তন মহানাগরিকের?
-
বিদেশি লিগে খেলতে অবসরের হিড়িক! এবার কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই
-
নাগপুরে ৬ লক্ষ টাকার কল চুরি! ‘প্রেমিকার জন্য আইফোন কিনব’, পুলিশ ধরতেই জানাল দুই যুবক
-
স্বপ্নে বারবার দেখা দিচ্ছেন শনিদেব? জানুন ভাগ্যের চাকা ঘুরবে নাকি বাড়বে বিপদ!