BREAKING NEWS

২৩ আষাঢ়  ১৪২৭  বুধবার ৮ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ভাঁড়ে মা ভবানী, রাষ্ট্রসংঘে বন্ধ করা হল এসকেলেটর-কুলার

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: October 13, 2019 11:30 am|    Updated: October 13, 2019 11:30 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা বিশ্বে আর্থিক মন্দার ছোঁয়া এবার রাষ্ট্রসংঘেও। খরচ কমাতে উদ‌্যত হয়েছে বিশ্বের এই আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তারক্ষক প্রতিষ্ঠান। প্রথমেই নজর গিয়েছে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচে। তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে, রাষ্ট্রসংঘের বিদ্যুতের খরচ কমাতে বন্ধ রাখা হবে এসকেলেটর। এমনকী বন্ধ রাখা হতে পারে এয়ার কুলারও। এই পরিস্থিতিতে গরম কমাতে আর মন্দার বাজারের টেনশন সইতে যে একটু গলা ভেজাবেন রাষ্ট্রসংঘের কর্তাব‌্যক্তিরা, তারও উপায় নেই। নোটিস দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কূটনীতিকদের জন্য পানশালাটি বন্ধ হয়ে যাবে বিকেল পাঁচটাতেই। শুক্রবার এই ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রসংঘ। আর কারণ হিসাবে সাফ সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সংস্থার বিশাল সংখ্যক কর্মীকে যাতে নিয়মিত বেতন দিতে সমস‌্যা না হয়, সেজন্যই এই বাড়তি খরচ কমানো হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: মিটিওর ও স্কাল্প মিসাইল নিয়ে এবার অপরাজেয় হচ্ছে রাফালে

রাষ্ট্রসংঘের ব‌্যবস্থাপনা বিভাগের মুখপাত্র ক্যাথরিন পোলার্ড। খরচ কমানো প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, “নিরুপায় হয়েই এই পদক্ষেপ করতে হয়েছে। বর্তমানে ৩৭ হাজার কর্মী রাষ্ট্রসংঘের। তাঁদের যাতে নিয়মিত বেতন দেওয়া যায়, সে-জন‌্যই এই উদ্যোগ।” রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুয়াতেরেসও স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, কোন কোন ক্ষেত্রে খরচ কমানো হবে। যেখানে বিদ্যুতের খরচ আর পানশালা ছাড়াও লাগাম টানা হয়েছে আরও অনেক বিষয়ে। ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে রাষ্ট্রসংঘের সদস‌্য এবং কর্তাব‌্যক্তিদের বিমানযাত্রা কমানো হবে। বিভিন্ন উপলক্ষে হামেশাই পার্টি দেওয়ার যে রীতি রাষ্ট্রসংঘে ছিল, তা-ও হবে না। নতুন কর্মী নিয়োগে পরিমাণ কমানো হবে। সেই সঙ্গে হিসাবের নথিপত্র ও রিপোর্ট তৈরিতেও থাকবে কড়া নজর।

গুতেরেস বলেন, গত এক দশকে রাষ্ট্রসংঘ এতটা আর্থিক সংকটে কখনও পড়েনি। আর্থিক মন্দার বর্তমান পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘের জমার অঙ্কে টান পড়েছে। এতটাই যে চলতি মাসের শেষে কর্মীদের বেতন দিতে সমস্যা হতে পারে। অবশ‌্য রাষ্ট্রসংঘ আগেই জানিয়েছিল, এবছরে তাদের অপারেটিং বাজেটে ঘাটতি রয়েছে ১৪০ কোটি ডলার। ৬০টি দেশ রাষ্ট্রসংঘকে সময়মতো প্রাপ্য অর্থ না দেওয়াতেই এই পরিস্থিতি। এর মধ্যে সাতটি দেশ ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, ইরান, ইজরায়েল ও ভেনেজুয়েলা যদি পাওনা মিটিয়ে দেয়, তাহলেই রাষ্ট্রপুঞ্জের আর্থিক ঘাটতি ৯০ শতাংশ মিটে যাবে। শান্তি রক্ষা অভিযানের জন‌্য বিভিন্ন দেশ যে অর্থ রাষ্ট্রসংঘকে দেয়, তাতেও অনেক পাওনা থেকে গিয়েছে। ফ্রান্স একাই বাকি রেখেছে ১০ কোটি ৩০ লক্ষ ডলার। আমেরিকা বাকি রেখেছে ২৩০ কোটি ডলার। ফলে শান্তি রক্ষা অভিযানে যোগদানকারী বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সেনাকর্মীদেরও প্রাপ্য অর্থ দিতে পারছে না রাষ্ট্রসংঘ।

[আরও পড়ুন: ‘আমেরিকায় ঢুকলে ৩০ দিনে স্বাস্থ্যবিমা চাই’, ফরমান ট্রাম্পের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement