Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
পাঞ্চেন লামাকে

পাঞ্চেন লামাকে মুক্তি দিক চিন, কড়া হুঁশিয়ারি আমেরিকার

ছ’বছরের শিশু গেধুন চোকি নিমাকে ১১তম পাঞ্চেন লামা হিসেবে স্বীকৃতি দেন দলাই লামা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২০, ১৯:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২০, ১৯:১৮

options
link
পাঞ্চেন লামাকে মুক্তি দিক চিন, কড়া হুঁশিয়ারি আমেরিকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের সংঘাতের পথে চিন ও আমেরিকা। এবার পাঞ্চেন লামাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য বেজিংকে হুঁশিয়ারি দিল ওয়াশিংটন। শুধু তাই নয়, পাঞ্চেন লামাকে কোঠায় লুকিয়ে রেখেছে চিন, তা গোটা বিশ্বকে জানানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করা হবে বলেও জানিয়েছে আমেরিকা।

[আরও পড়ুন: তিন মিনিটের ভিডিও কলে চাকরি গেল সাড়ে ৩ হাজার কর্মীর, নিন্দার ঝড় নেটদুনিয়ায়]

বৃহস্পতিবার স্যাম অ্যাম্বাসাডর- অ্যাট-লার্জ ফর ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম, ব্রাউনব্যাক সাংবাদিকদের বলেন, “পাঞ্চেন লামা কোথায় রয়েছেন, সেই বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। তবে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার জন্য চিন প্রশাসনের উপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে যাব আমরা।” এর পরই তাঁর হুঁশিয়ারি, চিনকে গোটা বিশ্বকে জানাতে হবে পাঞ্চেন লামাকে কোথায় রাখা হয়েছে।

Advertisement

১৯৯৫ সালের ১৪ মে ছ’বছরের শিশু গেধুন চোকি নিমাকে ১১তম পাঞ্চেন লামা হিসেবে স্বীকৃতি দেন দলাই লামা। দলাইয়ের পর তিব্বতে দ্বিতীয় ধর্মীয় গুরু হলেন এই পাঞ্চেন লামা। পাঞ্চেন লামা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার ঠিক তিন দিন পরই চিন চোকি নিমাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। তার পর থেকেই বিশ্বের কনিষ্ঠ রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে পরিচিতি পান চোকি। এরপর কেটে গিয়েছে প্রায় দু’দশকের বেশি সময়। চিন সরকার ইতিমধ্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দলাই লামার উত্তরসূরি খুঁজতে শুরু করেছে তারা।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের উৎস নিয়ে চিন ও আমেরিকার মধ্যে বেনজির সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকদিন আগেই কোভিড-১৯ ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে চিনের কাছে বড়সড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করার কথা জানিয়েছিলন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বছর থেকেই চিন ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ চলছে। একে অপরের পণ্যে শুল্ক চাপিয়েছে দুই দেশই। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে খানিকটা সমঝোতার পথে এগিয়েছিল ওয়াশিংটন ও বেজিং। কিন্তু করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ফের সংঘাত শুরু হয়েছে দু’দেশের মধ্যে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, চিনের তাবেদারি করার অভিযোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেওয়া সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে আমেরিকা।

[আরও পড়ুন: ফাউচির হুঁশিয়ারি উড়িয়ে করোনা আবহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পক্ষে ট্রাম্প]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.