Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
S Jaishankar

বালোচিস্তানে সেনা পাঠাচ্ছে চিন! সতর্ক করে জয়শংকরকে খোলা চিঠি পাক-বিদ্রোহী নেতার

পাক-প্রশাসনের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ তুলে স্বাধীনতার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই পথে বালোচরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৬:৫৬

options
link
বালোচিস্তানে সেনা পাঠাচ্ছে চিন! সতর্ক করে জয়শংকরকে খোলা চিঠি পাক-বিদ্রোহী নেতার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েক মাস আগে পাকিস্তান সরকারের শাসন থেকে বালোচিস্তানকে ‘স্বাধীন’ ঘোষণা করে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন তিনি। সেই মির ইয়ার বালোচ এ বার খোলা চিঠি লিখলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের (S Jaishankar) উদ্দেশে। ভারতকে সতর্ক করে বালোচ নেতা দাবি করলেন, বালোচিস্তানে সেনা পাঠাতে চলেছে চিন।

চিন এবং পাকিস্তানের মধ্যে যে অর্থনৈতিক করিডর তৈরির কাজ চলছে, তা বালোচিস্তানের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। শেষ হয়েছে বালোচ প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তের গ্বাদর বন্দরে। এই করিডর তৈরির নামেই বালোচিস্তানে চিন সেনা মোতায়েন করতে চলেছে বলে দাবি করেছেন মির। জয়শংকরকে লেখা চিঠিতে মিরের বক্তব্য, “বালোচিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই মুহূর্তে জোরদার না করলে এবং বালোচ স্বাধীনতা যোদ্ধাদের আরও শক্তিশালী করে তুলতে না পারলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বালোচিস্তানে সেনা মোতায়েন করে ফেলবে চিন। এমনটা ঘটলে, বালোচিস্তাকনের ৬ কোটি মানুষের জন্য বটেই, তা ভারতের জন্যও বিপদের হবে।”

Advertisement

পাক-প্রশাসনের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ তুলে স্বাধীনতার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই পথে বালোচরা। এই আন্দোলন ঘিরে বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনেরও জন্ম হয়েছে সেখানে। বালোচের বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের অনেকে চান, ১৯৭১ সালে ভারত যে ভাবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং যার কারণে পরবর্তী কালে বাংলাদেশের জন্ম হয়, সেই একই ভাবে তারা বালোচিস্তানের মুক্তিযুদ্ধের পাশে দাঁড়াক। সেই কারণেই পাকিস্তানের সঙ্গে বিবাদে বরাবরই ভারতের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায় বালোচ বিদ্রোহীদের। গত বছর অপারেশন সিঁদুরের সময়েও বালোচিস্তান নয়াদিল্লির পাশে দাঁড়িয়েছিল। মিরও জয়শংকরকে লেখা চিঠিতে সেই সমর্থনের কথাই বলেছেন।

১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল দেশীয় রাজ্য কালাত। ১২ অগস্ট কালাতের শাসক মির সুলেমান দাউদ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সেই স্বাধীনতার মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। ১৯৪৮-এর ২৭ মার্চ পর্যন্ত। সাত দশক আগে ওই দিনেই পাকিস্তানি সেনা দখল করেছিল বালোচিস্তান। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তৎকালীন শাসককে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হতে বাধ্য করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই বালোচিস্তানেই নতুন করে স্বাধীনতার যুদ্ধ মাথাচাড়া দিয়েছে। চিন-পাক অর্থনৈতিক করিডর নিয়েও প্রথম থেকে আপত্তি জানিয়েছিলেন বালোচ নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ বালোচিস্তান প্রাকৃতিক ভাবে সবচেয়ে সম্পদশালী। ধীরে ধীরে তা বেহাত হয়ে যাচ্ছে। ‘চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর’ (সিপিইসি)-এর কাজ শুরু হতেই গত কয়েক বছরে সেই লুট আরও বেড়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.