৭ মাঘ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২১ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অস্ত্র আইন কড়া হওয়ার পরও গণহত্যার ঘটনায় ইতি পড়েনি৷ বরং আমেরিকার বুকে সম্প্রতি বেশ তাণ্ডব চালিয়েছে কয়েকজন বন্দুকবাজ৷ এবার সেই ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে নিজের নাতিকে রুখে দিয়ে দেশবাসীর প্রাণ বাঁচালেন এক বৃদ্ধা৷ ১৯ বছরের নাতিকে ভরতি করা হয়েছে টেক্সাসের মানসিক হাসপাতালে৷

[আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বন্ধুকন্যার বিয়ে! নেটিজেনদের রোষে ইমরান খান]

টেক্সাসের বাসিন্দা বছর উনিশের উইলিয়াম প্যাট্রিক৷ জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে দুটি একে ৪৭ কিনেছিল সে৷ টেক্সাস পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ তারিখ অস্ত্র দুটি নিয়ে লুবকের একটি হোটেলে ওঠে৷ হোটেল থেকে ঠাকুমাকে ফোন করে প্যাট্রিক৷ গোটা পরিকল্পনার কথা জানায়৷ বলে, তার আগ্নেয়াস্ত্র দুটিতে ম্যাগাজিন ভরতি, সে তা ব্যবহার করে গণহত্যা করতে চায়৷ আর পুলিশের হাতে ধরা পড়লে, আত্মঘাতী হবে বলেও ঠিক করে নিয়েছে৷ হোটেলের রুম নম্বরও ঠাকুমাকে জানায় সে৷ সঙ্গে সঙ্গে প্যাট্রিকের ঠাকুমা পুলিশে ফোন করে সমস্ত ঘটনা জানান৷ লুবক পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে৷ হোটেলের নাম এবং রুম নম্বর-সহ ঠাকুমাকে নিয়েই সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ৷ সেসময় প্যাট্রিক বিছানায় শুয়েছিল৷ পরনে কালো টি-শার্ট যাতে বড় বড় করে লেখা, ‘লেট দেম কাম’ অর্থাৎ ওদের আসতে দাও৷ পুলিশকে দেখে সঙ্গে সঙ্গে সে একটি রাইফেল নিয়ে আত্মহত্যা করতে যায়৷ পুলিশের তৎপরতায় রক্ষা পায় প্যাট্রিক৷ এরপর তাকে উদ্ধার করে মানসিক চিকিৎসার জন্য লুবকের কনভেনান্ট মেডিক্যাল সেন্টারে ভরতি করা হয়৷

শনিবার আমেরিকার দুটি জায়গায় বন্দুকবাজের হামলা চলে৷ টেক্সাসের এল পাসো এবং ওহাইওর ডেটন৷ ঘটনাচক্রে এর ঠিক আগের দিনই প্যাট্রিক ধরা পড়ে৷ মার্কিন অপরাধ আইন এবং অস্ত্র আইন সংশোধনের পর ‘স্থানীয় সন্ত্রাসবাদী’ দমনে বিশেষ অভিযান চলছে পুলিশের তরফে৷ স্বদেশে এধরনের হামলাই সেখানকার নিরাপত্তার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে৷ পুলিশের মতে, এদের মধ্যে বেশিরভাগই হয় মাদকাসক্ত, নয়তো ছোট থেকেই নানা অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত৷

[আরও পড়ুন: হামলা চালাতে এসে নিকেশ, নিজের জওয়ানদের দেহ নিতে অস্বীকার করল পাকিস্তান]

উইলিয়াম প্যাট্রিক ধরা পড়ার পর মার্কিন অ্যাটর্নি এরিন নিলি কক্স বলছেন, ‘অনেক বড় বিপদ থেকে বাঁচলাম আমরা৷’ তার বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে অস্ত্র রাখার মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ আপাতত প্যাট্রিক মানসিক হাসপাতালে রয়েছে৷ প্রাথমিকভাবে অনুমান, প্যাট্রিক অবসাদগ্রস্ত৷ তার মনোস্তাত্ত্বিক চিকিৎসা প্রয়োজন বলে মনে করছে পুলিশ এবং চিকিৎসকরাও৷ সেইমতো আপাতত কটা দিন হাসপাতালে রেখেই তার চিকিৎসা চলবে বলে জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং