Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
FIFA World Cup

FIFA World Cup 2022: বিশ্বকাপের মাঝেই কাতারের স্টেডিয়ামে মার্কিন সাংবাদিকের মৃত্যু, সমকামিতাকে সমর্থনের খেসারত?

স্বাভাবিক মৃত্যু না কি হত্যা, উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২২, ১১:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২২, ১১:০৪

options
link
FIFA World Cup 2022: বিশ্বকাপের মাঝেই কাতারের স্টেডিয়ামে মার্কিন সাংবাদিকের মৃত্যু, সমকামিতাকে সমর্থনের খেসারত? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ড ম্যাচ চলাকালীন কাতারের স্টেডিয়ামে মৃত্যু হল এক মার্কিন সাংবাদিকের। তাঁর মৃত্যু ঘিরে ইতিমধ্যে জলঘোলা হতে শুরু করেছে। মৃত সাংবাদিকের ভাইয়ের অভিযোগ, তাঁর দাদাকে হত্যা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের শুরুতে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়িয়ে রামধনু শার্ট পরে স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, এই ‘অপরাধে’ তাঁকে আটকও করা হয়। এরপর থেকেই তাঁকে হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ফলে মার্কিন ক্রীড়া সাংবাদিকের মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না তা নিয়ে জল্পনা দানা বাঁধছে।

আমেরিকার ক্রীড়া সাংবাদিক গ্রান্ট ওয়াল (৪৮) বিশ্বকাপের জন্য কাতারে গিয়েছিলেন। শুক্রবার কাতারের লুসেইল আইকোনিক স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ চলাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। এরপরই তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় না কি চিকিৎসাধীন অবস্থায় গ্রান্টের মৃত্য়ু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্টেডিয়ামে উপস্থিত অন্যান্য সাংবাদিকদের তরফে পাওয়া খবর অনুযায়ী, স্টেডিয়ামে তাঁকে সিপিআর দেওয়া হয়েছিল। হৃদরোগ না কি মার্কিন সাংবাদিকের মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ডাচদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াল আর্জেন্টিনা, জয়ের পর মেজাজ হারালেন মেসিও, ভিডিও ভাইরাল]

জল্পনা বাড়িয়েছে গ্রান্টের ভাই এরিকের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট। তাঁর দাবি, মার্কিন সাংবাদিকের মৃত্যুর পিছনে কাতার প্রশাসন দায়ী। এরিক জানিয়েছেন, “আমার নাম এরিক ওয়েল। আমি ওয়াশিংটনের সিয়াটেলের বাসিন্দা। গ্রান্ট ওয়েলের ভাই। আমি সমকারী। আমার জন্যই বিশ্বকাপে আমার দাদা রামধনু শার্ট পরেছিল। ও আমাকে বলেছিল, ওকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার ভাই সুস্থই ছিল। ফলে ওঁর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে, এটা আমি মানতে পারছি না। আমার মনে হয়, ওকে হত্যা করা হয়েছে।” প্রকৃত সত্যা খুঁজে বের করতে সাহায্যের প্রার্থনা করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে আমেরিকার প্রথম ম্যাচে আল রায়ান স্টেডিয়ামে গ্রান্টকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় গ্রান্ট ওয়েলকে। কারন সমকামিতার সমর্থনে তিনি রামধনু শার্ট পরেছিলেন। স্টেডিয়ামের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা তাঁকে আটকায় ও ফোন কেড়ে নেয়। পরে অবশ্য তাঁরা ও ফিফা ক্ষমা চেয়েছিলেন গ্রান্টের কাছে। কাতারে মহিলা, এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের উপর বেশকিছু নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে। সেই এলবিটিকিউ সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানোর খেসারত দিতে হল গ্রান্টকে? উঠছে প্রশ্ন। এদিকে গ্রান্টের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে আমেরিকার ফুটবল প্রশাসন।

 

 

[আরও পড়ুন: ব্রাজিলের বিদায়ের পরই ইস্তফা কোচ তিতের, দেশের হয়ে অবসরের ইঙ্গিত দিলেন নেইমার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.