Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
US Rescue Operation

৮৫০ কোটির ক্ষতি করে ইরানে পাইলট উদ্ধার অভিযান! কেন নিজেদের বিমান ধ্বংস করল মার্কিন সেনা?

২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে লাদেনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল একটি ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টার। সেটিকেও একইভাবে ধ্বংস করেছিল মার্কিন সেনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১৭:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১৭:০৫

options
link
৮৫০ কোটির ক্ষতি করে ইরানে পাইলট উদ্ধার অভিযান! কেন নিজেদের বিমান ধ্বংস করল মার্কিন সেনা? zoom
ধ্বংস হয়ে যাওয়া মার্কিন বিমান।

ইরানে আটকে পড়া পাইলটকে উদ্ধার করা গিয়েছে ঠিকই, তবে এই অভিযানে আমেরিকার (US Rescue Operation) ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নেহাত কম নয়। জানা যাচ্ছে, এই অভিযানে গিয়ে নিজেদের দুটি সামরিক বিমান ধ্বংস করতে হয় মার্কিন সেনাকে। যার মূল্য কমপক্ষে ১০০ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা। এই ঘটনায় মার্কিন সেনাকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েনি ইরান। কিন্তু উদ্ধার অভিযানে গিয়ে কেন নিজেদের বিমান ধ্বংস করতে হল আমেরিকাকে?

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক মার্কিন আধিকারিক জানান, এই অভিযানে অংশ নিয়েছিল মার্কিন সেনার দুটি এমজি-১৩০জে বিমান। শত্রুর ডেরায় ঢুকে সেখান থেকে টার্গেটকে সরিয়ে আনতে ব্যবহৃত হয় এই বিমান। ইরানের এক পরিত্যক্ত ঘাঁটিতে এই বিমানগুলি অবতরণ করানো হয়। অবতরণের পর সমস্যায় পড়ে বিমানগুলি। জানা যাচ্ছে, বহু চেষ্টার পরও বিমান দুটি টেকঅফ করানো যায়নি। এর নেপথ্যে দুটি কারণ সামনে আসতে হতে পারে বিমানে কোনও যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেয় বা মরুভূমির বালিতে আটকে পড়ে বিমানটি। গোয়েন্দা বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, সমস্যার কারণে বাধ্য হয়েই বিমানটিকে সেখানে ফেলে আসতে বাধ্য হয় তাঁরা।

Advertisement

বহু চেষ্টার পরও বিমান দুটি ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কোনওভাবে সংবেদনশীল এই বিমানের প্রযুক্তি যাতে ইরানের হাতে না পড়ে তার জন্য বিমানদুটিকে ধ্বংস করা হয়।

গোয়েন্দা কর্তাদের দাবি, বহু চেষ্টার পরও বিমান দুটি ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কোনওভাবে সংবেদনশীল এই বিমানের প্রযুক্তি যাতে ইরানের হাতে না পড়ে তার জন্য বিমানদুটিকে ধ্বংস করা হয়। মার্কিন সেনার দাবি, শত্রুর এলাকায় কোনও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের সময়ে এই ধরনের পদক্ষেপ সাধারণ প্রটোকলের মধ্যেই পড়ে। এই ধরনের বিমানে থাকে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, নেভিগেশন-সহ বিশেষ অভিযানের নানাবিধ আধুনিক প্রযুক্তি। এগুলি শত্রুর হাতে পড়লে তা নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক। ফলে আর্থিক ক্ষতির চেয়ে নিরাপত্তাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে আমেরিকার তরফে এই ধরনের পদক্ষেপ এই প্রথম নয়, এর আগে ২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে লাদেনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল একটি ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টার। সেটিকেও ধ্বংস করেছিল মার্কিন সেনা।

তবে পাইলট উদ্ধার অভিযানে গিয়ে আমেরিকার এই বিপুল আর্থিক ক্ষতির পর মার্কিন সেনাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি ইরান। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার গালিবফ এক্স হ্যান্ডেলে মার্কিন সেনার ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিমানের ছবি শেয়ার করে লেখেন, ‘আমেরিকা যদি এ ধরনের আরও তিনটি জয় অর্জন করে, তবে তারা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে।’ আইআরসিজি-র তরফে জানানো হয়েছে, ‘শত্রুপক্ষের বিমান ফের ধ্বংস হয়েছে। আমেরিকা আবারও করুণ পরাজয়ের শিকার।’ ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বিব্রত হওয়ার থেকে বাঁচাতে ওরা নিজেরাই নিজেদের বিমান ধ্বংস করেছে।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.