BREAKING NEWS

০৫ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৯  রবিবার ২২ মে ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

ISIS-এর নয়া প্রধানের খোঁজে হন্যে আমেরিকা, দ্বিগুণ হল পুরস্কারের অঙ্ক

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: June 26, 2020 5:46 pm|    Updated: June 26, 2020 5:46 pm

US now doubles bounty on new ISIS chief to $10 million

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুদ্ধে পরাজিত হলেও অস্তিত্ব হারিয়ে যায়নি ইসলামিক স্টেটের (ISIS)। বিশ্বে এখনও ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর ক্ষমতা রয়েছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনটির। তাই আইএসের প্রধান আমির মহম্মদ সইদ আবদল-রহমা আল-মাওলাকে ধরতে পুরস্কারের মূল্য দ্বিগুণ করে দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

[আরও পড়ুন: বাড়ছে যুদ্ধের সম্ভাবনা, এবার পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়েছে চিনা বায়ুসেনা]

মার্কিন সেনার হামলায় আইএস প্রধান আবু বকর আল বাগদাদির মৃত্যুর পর সংগঠনের রাশ ধরে আল-মাওলা হাজি আবদুল্লাহ (Hajji Abdallah) ওরফে আবু-উমর তুর্কমানি। আমেরিকার ‘ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটস রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস প্রোগ্রাম’ বুধবার বর্ধিত আর্থিক অঙ্ক দ্বিগুণ করার কথা জানিয়ে বলে, ৫ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার বাড়িয়ে ১০ মিলিয়ন ডলার করা হয়েছে। আইএসের নয়া প্রধান কোথায় আত্মগোপন করে রয়েছে, সে সম্পর্কিত তথ্য দিতে পারলেই মিলবে এই অর্থ। উল্লেখ্য, এর আগে বাগদাদিকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্যও ২০১১ সালে মার্কিন সরকার পুরষ্কার ঘোষণা করেছিল। পরে সেই পুরস্কারের আর্থিক অঙ্ক বাড়িয়ে ২৫ মিলিয়ন ডলার করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে ইরাকের মসুল শহরে জন্ম হয় কুখ্যাত জঙ্গি আল-মাওলার। ক্রমে ক্রমে ইরাকে আল কায়দার শীর্ষ পদে পৌঁছায় সে। তারপর ইসলামিক স্টেটের প্রধান বাগদাদির প্রিয়পাত্র হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগেনি তার। ২০২০ সালের ৮ মার্চ আল-মাওলাকে বিশেষ আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমা দেয় মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশের বারিশা এলাকায় বাগদাদিকে কোণঠাসা করে ফেলে মার্কিন সেনার 75th Ranger Regiment ও U.S. Delta Force। পালানোর সমস্ত পথ বন্ধ দেখে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দুই সন্তান ও নিজেকে খতম করে দেয় ওই কুখ্যাত জঙ্গিনেতা। জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে দোর্দণ্ডপ্রতাপ বাগদাদিও যেন হয়ে গিয়েছিল মেরুদণ্ডহীন কেন্নোর মতো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, “রাস্তার কুকুরের মতো মারা গিয়েছে কাপুরুষ বাগদাদি। বেশ কিছুক্ষণ লড়াইয়ের পর একটি সুড়ঙ্গে ঢুকে পরে সে। তবে সেটি থেকে বেরনোর কোনও পথ ছিল না। মার্কিন সৈনিকদের সামনে তিনটি শিশুকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছিল সে। অবশেষে কাঁদতে শুরু করে জঙ্গি নেতা। আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে প্রবল চিৎকার শুরু করে বাগদাদি। তারপরই সুইসাইড ভেস্টের বোতাম টিপে বিস্ফোরণ ঘটায়। তার সঙ্গে মারা পড়ে দুই শিশু ও তার দুই স্ত্রী।”

[আরও পড়ুন: চিনা ফাঁদে পা দিয়ে বিপাকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি, দলের অন্দরেই উঠল ইস্তফার দাবি]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে