Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
তেল

করোনার মারে টালমাটাল জ্বালানির বাজার, জলের চেয়েও সস্তা হল তেল

লকডাউনের জেরে কমেছে জ্বালানির চাহিদা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২০, ০৯:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২০, ০৯:১২

options
link
করোনার মারে টালমাটাল জ্বালানির বাজার, জলের চেয়েও সস্তা হল তেল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মে মাসে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল মজুত করার কোনও জায়গা থাকবে না এই আশঙ্কায় সোমবার আমেরিকার বাজারে তেলের দাম শূন্য ডলারের নিচে চলে যায়। করোনার জেরে লকডাউন চলছে প্রায় গোটা পৃথিবীতে। ফলে প্রতিদিন অপরিশোধিত তেলের দাম পড়ছে। মে মাসের জন্য মার্কিন অপরিশোধিত তেলের বাজার এদিন খোলা মাত্র দাম ঋণাত্মক হয়ে যায়। যা অতীতে কখনও হয়নি। দিনের শেষে এক ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বিক্রি হয়েছে মাত্র এক সেন্ট-এ। ব্রেন্ট ক্রুডে অবশ্য দাম ২৫ ডলার ছিল।

[আরও পড়ুন: ভারতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের নতুন নীতি ‘বৈষম্যমূলক’, সরব চিন]

করোনা ভাইরাসের প্রকোপে জ্বালানী তেলের চাহিদা এতটাই কমছে যে তা জলের থেকেও সস্তা হয়ে গিয়েছে। সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৩৭ বছরে সর্বনিম্ন হয়ে রেকর্ড গড়ল। মাত্র তিন দিন আগে তা ২১ বছরে সর্বনিম্ন হওয়ার রেকর্ড করেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে মে মাসের শুরুতে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৪০ বছরে সর্বনিম্ন হবে। এমনও হতে পারে, তেল কেনার জন‌্য তেল সংস্থা ক্রেতাকে টাকাও দিতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমতে থাকলেও ভারতে সাধারণ ক্রেতা তার সুবিধা পাবে কিনা, সেটা এখনও স্পষ্ট হচ্ছে না।

Advertisement

সোমবার আমেরিকায় জ্বালানি তেলের সূচক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টামিডিয়েট (ডব্লুটিআই)-এর দাম অর্থাৎ তেলের দাম শূন্য ডলারের নিচে চলে যায়। । ১৯৮৩-র পর সর্বনিম্ন। রবিবার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের ব‌্যারেল প্রতি দাম ৪৫ শতাংশ কমে ১০.০১ ডলার হয়। যা ১৯৮৬ সালের পর সর্বনিম্নই শুধু নয়, ১৯৮২ সালের পর তেলের দামে একদিনে এতটা পতন হয়নি। উল্লেখ‌্য, শুক্রবার এশিয়ার বাজারে ডাব্লিউটিআই অপরিশোধিত জ্বালানী তেল ব্যারেল প্রতি বিক্রি হয়েছে ১৪ শতাংশ কমে ১৫.৬৫ ডলারে। ১৯৯৯ সালের পর তেলের দর এতো নিচে আর নামেনি। তবে বিনিয়োগকারীরা জুন মাস নাগাদ তেলের দাম আবার উঠতে পারে বলে আশা করছে। করোনার কারণে চাহিদা একেবারে কমে যাওয়ায় তেলের বাজার বড় ধরণের সঙ্কটের মুখে পড়েছে। আমেরিকার রিজার্ভারগুলো নতুন উত্তোলিত তেল রাখার জায়গা পাচ্ছে না। ফলে দাম আরও কমে যাচ্ছে। মার্চ থেকে আমেরিকার রিজার্ভারগুলিতে তেল রিজার্ভের পরিমাণ ৫০ শতাংশ বেড়েছে। ফলে সামনের দিনগুলোতে এগুলোতে নতুন করে তেল রাখা যাবে না।

অবশ্য ইউরোপ-সহ বাকি বিশ্বের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এখনও ২৫ ডলারের বেশি। সোমবার এর দর ০.৮ শতাংশ কমে ২৭.৮৭ ডলার প্রতি ব্যারেলে নেমে আসে। ভারতীয় মুদ্রার হিসাবে এক লিটার অপরিশোধিত তেলের দাম এখন ৭ টাকা হয়ে গিয়েছে যা জলের বোতলের দামের থেকেও কম৷ বর্তমানে এক ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ১,১৪০ টাকা হয়ে গিয়েছে৷ এক ব্যারেলে ১৫৯ লিটার তেল থাকে৷ এই হিসেবে ১ লিটার তেলের দাম ৭.১৩ টাকা৷ অন্যদিকে প্যাকেজড জলের বোতলের দাম ২০ টাকা।

[আরও পড়ুন: ফাঁকা রাস্তায় ধাক্কা মেরে শূন্যে উড়ল গাড়ি! ভাইরাল পোল্যান্ডের রুদ্ধশ্বাস ভিডিও]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.