Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
population controls

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে লক্ষ লক্ষ শিশুকন্যাকে খুন করেছে চিন, অভিযোগ আমেরিকার

রাষ্ট্রসংঘের সংস্থাগুলি এই কাজে বেজিংকে সাহায্য করেছে বলেও দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২০, ১৪:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২০, ১৪:৩০

options
link
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে লক্ষ লক্ষ শিশুকন্যাকে খুন করেছে চিন, অভিযোগ আমেরিকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই চিন মহিলা নাগরিকদের উপর বিভিন্ন পরীক্ষা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছিল। এবার সরাসরি চিন লক্ষ লক্ষ শিশুকন্যাকে খুন করেছে বলে দাবি করলেন মার্কিন শিক্ষাসচিব বেস্টি ডেভোস।

১৯৯৫ সালে চিনের রাজধানী বেজিংয়ে চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের তরফে একটি ভারচুয়াল বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। এই বৈঠকে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস (Antonio Guterres) ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল ও আমেরিকার শিক্ষাসচিব বেস্টি ডেভোস-সহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নারী নির্যাতনের বিষয়ে চিনের তীব্র সমালোচনা করেন মার্কিন শিক্ষাসচিব। ভেনেজুয়েলা, কিউবা, ইরান ও চিনে মহিলাদের উপর অকথ্য অত্যাচার হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পিছু হটলেন যোগী! টালবাহানার পর প্যান্ডেল করে দুর্গাপুজোর অনুমতি দিল উত্তরপ্রদেশ সরকার]

শি জিনপিংয়ের প্রশাসনকে তোপ দেগে বেস্টি ডেভোস বলেন, ‘১৯৯৫ সাল থেকেই লক্ষ লক্ষ শিশুকন্যাকে খুন করে নিষ্ঠুর পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি। দুর্ভাগ্যবশত রাষ্ট্রসংঘের সংস্থাগুলিও এই কাজে তাদের সাহায্য করেছে। আমরা রাষ্ট্রসংঘের কাছে এই ঘটনাগুলি অবহেলা না করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

মার্কিন শিক্ষাসচিব এই ধরনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করার পরেও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি চিন ও রাষ্ট্রসংঘ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, চিনে উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের মহিলাদের উপর সবথেকে বেশি অত্যাচার চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁদের উপর যৌন নির্যাতন চালানোর পাশাপাশি জোর করে গর্ভপাত করানো হয়।  যদিও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, চিনে এগুলি খুবই সাধারণ ঘটনা। এর থেকে ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে দিন কাটাতে হয় উইঘুর সম্প্রদায়ের মহিলাদের।

[আরও পড়ুন: নারী নিরাপত্তার করুণ ছবি! দেশে প্রতি ১৬ মিনিটে ধর্ষিতা হন এক মহিলা, বলছে NCRB]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.