সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের সঙ্গে পাকিস্তানের সুসম্পর্ক নিয়ে কোনও লুকোচুরি নেই। পাকিস্তানের যে কোনও হিংসাত্মক কার্যকলাপকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করাই হোক বা ভারতকে এনএসজিতে প্রবেশে বাধা দেওয়া, পাকিস্তানের ‘বন্ধু’ হিসাবে নিজেকে বরাবরই প্রমাণ করেছে চিন। সদ্য প্রকাশিত সিআইএ রিপোর্টও পাকিস্তান ও চিনের সামরিক সম্পর্ক নিয়ে এমন কথাই জানাল।
সিআইএ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানকে পরমাণু বোমা বানানোর নকশা দিয়ে সাহায্য করেছিল চিন। শুধু তাই নয়, শক্তিশালী ইউরেনিয়ম ব্যবহারের মাধ্যমে কেমন করে সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাবে, সেই উপায়ও পাকিস্তানকে শিখিয়েছে চিন।
(সিআইএ-র রিপোর্টে ফাঁস, ১৯৬২-র পর ফের ভারতে হামলার ছক কষে চিন)
রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তানকে নিজেদের পরমাণু শক্তি বৃদ্ধি পরিদর্শন করতে নিষেধ করেছিল চিন। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানকে পারমাণবিক রপ্তানি বাজার হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যও ছিল চিনের।
সিআইএ রিপোর্টে বলা হয়েছে, সামরিক শক্তি আদানপ্রদান নিয়ে সেভাবে কখনও প্রকাশ্যে মুখ খুলত না চিন। কিন্তু ১৯৮৩-৮৪ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে চিন ও পাকিস্তানের বন্ধুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পর্কের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তারাষ্ট্রের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট হয় যে চিন এবং পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তির আদানপ্রদানের বিষয়ে রীতিমতো আলোচনা করে। শুধু তাই নয়, সিআইএ-র কাছে খবর ছিল, ১৯৮৩ সালে চিনের চতুর্থ পরমাণু বোমা পরীক্ষামূলক ব্যবহারের সময় সেখানে পাকিস্তানের সেনা আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
(পরমাণু বোমা বানাবে না পাকিস্তান, রেগানকে আশ্বাস দিয়েছিলেন জিয়াউল হক)
সর্বশেষ খবর
-
হুগলি নদীতে ইলিশের মড়ক! অশনি সংকেত?
-
কলকাতাকে ছুঁয়ে ফেলল নিম্নচাপ! অতি বৃষ্টির লাল সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে, কতদিন চলবে বৃষ্টি?
-
‘একটি দল গোটা দেশের সিস্টেম বদলাতে পারে না’, খামতি স্বীকার করেই বার্তা রামদেবের
-
‘বাথরুমের জানলা ভেঙেছিলাম, তারপর…’ জতুগৃহ তারাপীঠের হোটেলে আটকে হাড়হিম অভিজ্ঞতা পর্যটকের
-
‘জন গণ মন’র পরিবর্তে জাতীয় সঙ্গীত হোক ‘বন্দে মাতরম’, ‘শক্তিমান’ মুকেশের দাবিতে বিতর্কের ঝড়