BREAKING NEWS

৩২ আষাঢ়  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের মেঘ, ইরানের মিসাইল সিস্টেমে আঘাত হানল আমেরিকা

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: June 24, 2019 2:36 pm|    Updated: June 24, 2019 2:36 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমশ ঘনিয়ে আসছে যুদ্ধের মেঘ। কয়েকদিন আগেই মার্কিন নজরদারি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছিল ইরান। ওই ঘটনার রেশ না কাটতেই এবার তেহরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভিতে আঘাত হানল আমেরিকা। দেশটির মিসাইল ডিফেন্স কন্ট্রোল সিস্টেম ও নজরদারি নেটওয়ার্কের উপর সাইবার হামলা চালিয়েছে আমেরিকা বলে খবর। 

[আরও পড়ুন: ইথিওপিয়ায় ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান, দেহরক্ষীর হাতেই নিহত সেনাপ্রধান]

একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ড্রোন ধ্বংসের পর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও হামলার আগ মুহূর্তে তা প্রত্যাহার করে নেন তিনি। তাঁর যুক্তি, প্রাণহানির আশঙ্কায় সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে। তবে এয়ারস্ট্রাইক বা মিসাইল না ছুঁড়লেও, ইরানকে অন্যভাবে জবাব দিয়েছে আমেরিকা। 

সূত্রের খবর, যে কম্পিউটারের মাধ্যমে ইরান নিজেদের রকেট ও মিসাইল লঞ্চ সিস্টেম কন্ট্রোল করে সেটি অকেজো করে দেওয়া হয়েছে, এমনটাই দাবি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক কর্তার। হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজগুলির উপরে নজরদারি চালানো একটি গোষ্ঠীও মার্কিন আক্রমণের মুখে পড়েছে। তবে এই জোড়া আঘাতে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের পরিকল্পনার পরে এই হামলাগুলি চালানো হয় বলে গোটা ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল প্রাক্তন দুই মার্কিন গোয়েন্দা কর্তা জানিয়েছেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মুখপাত্র হেদার বব।               

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগেই জানিয়েছেন, ইরান যদি পরমাণু অস্ত্র ত্যাগ করে, তাহলে আমেরিকা তেহরানের সবচেয়ে ভাল বন্ধু হবে। কিন্তু তা পরমাণু অস্ত্র ত্যাগ না করে,তাহলে সোমবার থেকেই তাদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। ট্রাম্পের এদিনের বক্তব্যে ভবিষ্যতে সামরিক অভিযানের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তাই আমেরিকারকে পালটা হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। সে দেশের শীর্ষ সেনাকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের দিকে একটি গুলি ছুড়লে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বলবে। বিপন্ন হবে আমেরিকা ও তার জোটসঙ্গীরা। এই হুমকির পরেই ইরাকের মাটিতে অবস্থিত বৃহত্তম মার্কিন বায়ুসেনা ঘাঁটির নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: শপিং মলের ট্রায়াল রুমে ধর্ষণের চেষ্টা করেন ট্রাম্প, বিস্ফোরক অভিযোগ লেখিকার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement