Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২১ জুন ২০২৬
Donald Trump

হরমুজে ইরানি জাহাজ দখল করে তেল ‘চুরি’ আমেরিকার! ট্রাম্প বললেন, ‘আমরা তো জলদস্যু’

শনিবার ফ্লোরিডায় একটি জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “মার্কিন সেনা সুনিপুণভাবে ইরানি জাহাজগুলি দখল করেছে। আমরা জাহাজগুলি থেকে তেলও নিয়েছি। এটা বেশ লাভজনক একটা ব্যবসা। আমরা ঠিক জলদস্যুদের কায়দায় গোটা অভিযান চালিয়েছি। এটা কোনও খেলা ছিল না। পুরোটাই ছিল বাস্তব।”

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ১০:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ১০:১৯

options
link
হরমুজে ইরানি জাহাজ দখল করে তেল ‘চুরি’ আমেরিকার! ট্রাম্প বললেন, ‘আমরা তো জলদস্যু’ zoom
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি।

হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে একের পর এক ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ দখল করেছে মার্কিন সেনা। শুধু তা-ই নয়, জাহাজগুলি থেকে তারা তেলও চুরি করেছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন সেনার অভিযানকে জলদস্যুদের সঙ্গে তুলনা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শনিবার ফ্লোরিডায় একটি জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “মার্কিন সেনা সুনিপুণভাবে ইরানি জাহাজগুলি দখল করেছে। আমরা জাহাজগুলি থেকে তেলও নিয়েছি। এটা বেশ লাভজনক একটা ব্যবসা। আমরা ঠিক জলদস্যুদের কায়দায় গোটা অভিযান চালিয়েছি। এটা কোনও খেলা ছিল না। পুরোটাই ছিল বাস্তব।” ইরানি জাহাজ দখল করে সেখান থেকে তেল চুরির বিষয়টিকে তেহরান ‘ডাকাতি’ বলে অভিহিত করেছে। একইসঙ্গে এর কড়া নিন্দাও জানিয়েছে তারা। ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘জলদস্যুরা আবার ফিরে এসেছে। এই ধরনের কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। আমেরিকা গোটা বিষয়টিকে যুক্তি দিয়ে বিশ্লেষণ করতে চাইছে, যেখানে কার্যকলাপগুলি সম্পূর্ণ বেআইনি।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে এপ্রিলের শুরু পর্যন্ত রক্তাক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত ছিল ইরান-আমেরিকা। একের পর এক ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তছনছ হয়ে গিয়েছিল ইরান। কিন্তু তা-ও লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরে আসেনি তেহরান। ইরানের পালটা জবাবে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল গোটা মধ্যপ্রাচ্য। প্রাথমিভাবে সেখানে ছড়িয়ে ছটিয়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। কিন্তু তারপর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বেপরোয়া হামলা চালাতে শুরু করে তেহরান। অবশেষে ৪০ দিন পর সাময়িক সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়েছে দু’দেশ। তবে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এখনও হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.