Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Donald Trump

ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হলে কী হবে? মুখ খুললেন ট্রাম্প

শান্তি বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদে পৌঁছে গিয়েছে ইরানের ৭০ জনের প্রতিনিধিদল। নেতৃত্বে রয়েছেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। তেহরান সঙ্গে এনেছে অর্থনীতি, নিরাপত্তা, রাজনীতি এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞও। অন্যদিকে, শনিবার ভোরে ইসলামাবাদে নেমেছে মার্কিন বিশেষ বিমানও। আমেরিকার প্রতিনিধি দলে রয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১৬:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১৬:০১

options
link
ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হলে কী হবে? মুখ খুললেন ট্রাম্প zoom
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি।

শনিবার ইসলামাবাদে বসছে ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠক। আলোচনায় আদৌ কোনও রফাসূত্র মেলে কি না, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হলে কী হবে? ইরানে কি আরও বড় হামলা চালাবে আমেরিকা? বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিন সাংবাদিকদের মুখেমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের এখন কোনও বিকল্প পরিকল্পনার প্রয়োজন নেই। ইরান এই যুদ্ধে আগেই হেরে গিয়েছে। তাদের সামরিক বাহিনীর কোমড় ভেঙে দিয়েছে মার্কিন সেনা। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সংখ্যাও এখন অনেক কম। শুধু তা-ই নয়, তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ক্ষমতাও হ্রাস পেয়েছে। আমরা ইরানে বড়সড় আঘাত হেনেছি। মার্কিন বাহিনী যা কাজ করেছে, তা এক কথায় বলতে গেলে অভূতপূর্ব।” যদিও একাধিক রিপোর্টে আবার দাবি করা হচ্ছে, সাময়িক সংঘর্ষবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা মোতায়েন করছে আমেরিকা। তাহলে কি গোপনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কোনও ষড়যন্ত্র করছেন? উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

এদিকে শান্তি বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদে পৌঁছে গিয়েছে ইরানের ৭০ জনের প্রতিনিধিদল। নেতৃত্বে রয়েছেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। তেহরান সঙ্গে এনেছে অর্থনীতি, নিরাপত্তা, রাজনীতি এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞও। অন্যদিকে, শনিবার ভোরে ইসলামাবাদে নেমেছে মার্কিন বিশেষ বিমানও। আমেরিকার প্রতিনিধি দলে রয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার।

ইসলামাবাদে আয়োজিত বৈঠকটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ইরান। সমঝোতার ক্ষেত্রে তেহরানের সদিচ্ছা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঘালিবাফ। তবে তিনি এটাও জানিয়েছেন, আমেরিকাকে তাঁরা একেবারেই বিশ্বাস করেন না। সেই কারণেই শান্তি বৈঠকের কিছু শর্ত রেখেছে ইরান। এর মধ্যে রয়েছে, লেবাননে ইজরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতির দাবি। এছাড়া পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সেনা মোতায়েন বা সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে পারবে না আমেরিকা। অন্যদিকে, বৈঠকের আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স বলেছেন, “আমরা আলোচনার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। আমার মনে হয়, ইতিবাচক বৈঠক হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.