Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Iran

ইরানে হিজাব ফতোয়ার প্রতিবাদে অন্তর্বাসেই পথে তরুণী, গ্রেপ্তারির পরে উধাও! মাহসার পরিণতি?

২০২২ সালে পুলিশি হেফাজতে রহস্যমৃত্যু হয় মাহাসা আমিনির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২৪, ২৩:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২৪, ২৩:১০

options
link
ইরানে হিজাব ফতোয়ার প্রতিবাদে অন্তর্বাসেই পথে তরুণী, গ্রেপ্তারির পরে উধাও! মাহসার পরিণতি? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিজাব ফতোয়ার প্রতিবাদে অন্তর্বাস পরে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উপস্থিত হয়েছিলেন ইরানের এক তরুণী। সব অর্থেই এই ঘটনা কুর্দ তরুণী মাহসা আমিনির কথা মনে করাচ্ছে। সেবার নীতি পুলিশের মারে মৃত্যু হয়েছিল মাহসার, এবার অন্তর্বাস পরে রাস্তায় নামার পরে তেহরানের ইসলামিক আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া তরুণীকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। এর পর থেকেই খোঁজ মিলছে না তাঁর। পড়ুয়ার সঙ্গে ইতিমধ্যে খারাপ কিছু ঘটেনি তো! আশঙ্কায় গোটা বিশ্ব।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, ইরানের ইসলামিক আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ওই তরুণী কেবল অন্তর্বাস পরে হেঁটে চলেছেন। পরে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে আটক করেন। কেন এমন করলেন তিনি? শোনা যাচ্ছে, যথাযথ ভাবে হিজাব না পরার জন্য নাকি তাঁকে নিগ্রহ করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। আর তার প্রতিবাদেই হিজাব খুলে কেবল অন্তর্বাসটুকু পরেই তিনি হাঁটতে শুরু করেন। এর পর থেকে আর কোনও খবর পাওয়া যাচ্ছিল না তাঁর। পরে জানা যায়, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও গ্রেপ্তারির পর কোথায় রাখা হয়েছে তরুণীকে, তিনি কী অবস্থায় রয়েছেন, তা জানা যাচ্ছে না। মৌলবাদী ইরানের এই খবরে উদ্বেগে গোটা বিশ্ব। অনেকেই মাহসা আমিনির পরিণতির কথা মনে করাচ্ছেন। যার পর ইরানজুড়ে শুরু হয়েছিল হিজাব বিদ্রোহ।

Advertisement

যদিও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, থানায় নিয়ে দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে ওই তরুণী মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। সোশাল মিডিয়ায় অনেক নেটিজেন আবার প্রশ্ন তুলেছেন, অতিষ্ঠ হয়েই এমন কাজ করেছেন তরুণী। একজনের মন্তব্য, ‘অধিকাংশ মহিলার কাছেই অন্তর্বাস পরে পথে হাঁটা রীতিমতো দুঃস্বপ্নের।’

প্রসঙ্গত, মাহসা আমিনির ঘটনাটি ২০২২ সালের। হিজাব না পরে রাস্তায় বার হয়েছিলেন তিনি। এই ‘অপরাধে’ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। ২৪ ঘণ্টা পরে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয় আমিনির। ওই ঘটনার পর বিশ্ব জুড়ে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। যদিও ইরানের মৌলবাদী শাসক পালটা দমন পীড়ন চালায় বলে অভিযোগ। হিজাব আইন আরও কড়া হয় সেদেশে। আগে হিজাব আইন ভাঙলে ১০ দিন থেকে দুই মাস অবধি জেল এবং আর্থিক জরিমানা হত। মাহসাকাণ্ডের পর সেই মেয়াদ বৃদ্ধি করে ৫ থেকে ১০ বছর কারাদণ্ডের বিল পাশ হয় ইরান সংসদে। হিজাব-বিধি না মানলে ভারতীয় মুদ্রায় সর্বোচ্চ ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানাও হতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.