Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Elon Musk on Donald Trump

বন্ধু থেকে সমালোচক! ট্রাম্পের বিলের তীব্র নিন্দা মাস্কের, পালটা দিল হোয়াইট হাউসও

রাতারাতি বন্ধু থেকে যেন যুযুধান দুই পক্ষ হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প-মাস্ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৫, ০০:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৫, ০০:২৭

options
link
বন্ধু থেকে সমালোচক! ট্রাম্পের বিলের তীব্র নিন্দা মাস্কের, পালটা দিল হোয়াইট হাউসও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) দ্বিতীয়বার মার্কিন মসনদে বসার পর শীর্ষ উপদেষ্টার পদ দিয়েছিলেন ‘বন্ধু’ এলন মাস্ককে (Elon Musk)। কিন্তু মাত্র কয়েক মাসেই আমূল বদলে গিয়েছে ছবি। সদ্যই মার্কিন প্রশাসনের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন টেসলা কর্তা। বন্ধু বিচ্ছেদের জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার তাতেই অক্সিজেন যোগ করলেন মাস্ক। ট্রাম্পের ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। পালটা বিবৃতি দিয়েছে হোয়াইট হাউসও। সব মিলিয়ে রাতারাতি বন্ধু থেকে যেন যুযুধান দুই পক্ষ হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প-মাস্ক।

মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডলে মাস্ক লেখেন, ‘আমি দুঃখিত। কিন্তু আমি আর এটা নিতে পারছি না। এই বিরাট, জঘন্য, শূকরের মাংসে ভরা কংগ্রেসের ব্যয় বিলটি এক অতীব জঘন্য কাজ। যাঁরা ভোট দিয়েছেন এর পক্ষে, তাঁদের ঘৃণা। আপনারা জানেন আপনারা ভুল করেছেন। আপনারা অবশ্যই জানেন।’

Advertisement

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট মাস্কের এমন বক্তব্যের ‘জবাব’ দিয়েছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বলেন, ”প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন মাস্কের এই বিল নিয়ে অবস্থান কী। তাতে প্রেসিডেন্টের মত বদলাবে না। এটা এক বড় সুন্দর বিল এবং উনি এর পক্ষেই রয়েছেন।”

মাস্কের এই বিল নিয়ে আপত্তি নতুন নয়। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ”কোনও বিল বিগ হতেই পারে। আবার সেটা বিউটিফুলও হতে পারে। কিন্তু আমার জানা নেই একসঙ্গে দুটোই হতে পারে কিনা।” এদিকে সম্প্রতি আরও একটি পোস্টে তাঁকে লিখতে দেখা গিয়েছিল, এই বিল ‘ইতিমধ্যেই বিপুল আকার ধারণ করা বাজেট ঘাটতিকে আরও বাড়িয়ে ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পরিণত করবে।’ কংগ্রেস আমেরিকাকে দেউলিয়া বানিয়ে ছাড়বে বলেও দাবি তাঁর।

গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ট্রাম্প তাঁর নতুন প্রশাসনে যুক্ত করেন এলন মাস্ককে (Elon Musk)। কিন্তু ৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবিনেট বৈঠকে ট্রাম্প পরিষ্কার করে দিয়েছেন, DOGE-এর প্রধান হওয়া সত্ত্বেও এলন মাস্ক কোনওভাবেই নিয়োগ বা ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। তখন থেকেই ট্রাম্পের সঙ্গে মাস্কের দূরত্ব নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। যদিও মার্কিন প্রশাসনের বিশেষ কর্মকর্তারূপে তিনি নিযুক্ত হয়েছিলেন ১৩০ দিনের জন্য। ট্রাম্প সেই মেয়াদ আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মাস্কও একদিন আগে পদত্যাগ করেছেন। তারপরই ক্ষোভ উগরে দিতে শুরু করেছেন। আগামিদিনে এই সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.