১ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিনি ডিজিটাল ডেস্ক: নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত ইয়াজিদি তরুণী নাদিয়া মুরাদ৷ হাজারও সংগ্রামের মাঝে তাঁর অসামান্য কাজ জগতে এমন সমাদৃত হয়েছে গত বছর৷ অথচ সেই নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত মহিলাকেই জিজ্ঞেস করা হল, ‘আপনাকে কেন নোবেল কমিটি পুরস্কার দিল? কী করেছেন আপনি?’

[আরও পড়ুন: জাপানে অ্যানিমেশন স্টুডিওতে অগ্নিকাণ্ডে মৃত অন্তত ২৪, অন্তর্ঘাতে ধৃত আততায়ী]

প্রশ্নকর্তা কে জানেন? মার্কিন প্রেসিডেন্ট মার্কিন ট্রাম্প৷ শুনতে আশ্চর্য হলেও, এটাই সত্যি কথা৷ ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন স্বরাষ্ট্র দপ্তর আয়োজিত সেমিনারে যোগ দিতে নাদিয়া মুরাদ বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ওভাল হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, ইরাকের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছে৷ নাদিয়ার অভিযোগ, আইএস হাজার হাজার ইয়াজিদি মহিলাকে ধর্ষণ, হ্ত্যা করে৷ তাদের এই নারকীয় অত্যাচার থেকে মহিলাদের মুক্ত করে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে সদর্থক পদক্ষেপ নিক আমেরিকা, এই আবেদনও করেছিলেন৷ বলেছিলেন, ‘ওদের জন্য কিছু করুন৷ এটা তো এক-দুটো পরিবারের বিষয় নয়৷ বহু নারীর জীবন জড়িয়ে এখানে৷ ইরাক এবং কুর্দিশ সরকারের উপর চাপ দিয়ে মহিলাদের নিরাপত্তার সুনিশ্চিত করা হোক৷’ সেইসঙ্গে তিনি নিজের অত্যাচারিত জীবনের কথাও জানান৷ সবটা মন দিয়ে শোনার পরই ট্রাম্প বেফাঁস প্রশ্ন করে বসেন তাঁকে৷ বলেন, ‘আপনি নোবেল পেয়েছেন? আপনাকে কী কারণে নোবেল দেওয়া হয়েছে?’  

এমন প্রশ্ন শুনে নাদিয়া প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও, তারপর অপমান হজম করে দৃঢ়কণ্ঠেই ফের শোনালেন তাঁর জীবন সংগ্রামের কথা৷ এরপরও যদিও ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়৷ ট্রাম্প জানতে চান, ‘আইএস তো এখন বিলুপ্তপ্রায়৷ কুর্দিশরা কী করছে? আমি যতদূর জানি, ওই এলাকা এখন ভালই আছে৷’ তাতে নাদিয়া জানান, কুর্দ জঙ্গিদের অত্যাচারে ইয়াজিদিরা কীভাবে, কোন পথে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে৷ ট্রাম্পকে তিনি বিশ্ব শরণার্থীদের জন্য ভাবতে বলেন৷ মায়ানমারের রোহিঙ্গা প্রসঙ্গও টানেন নাদিয়া৷ পরে নাদিয়া বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন প্রায়শই ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলে, প্রচার করে৷ কিন্তু তা শুধু খ্রিস্টানদের জন্য সীমাবদ্ধ৷ নাদিয়া যতই ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করুন, অনেকেই বলছেন, ট্রাম্পের কাছে তিনি নিজে নজিরবিহীনভাবে অপমানিত হলেন৷

[আরও পড়ুন: উলটপুরাণ! কুলভূষণ মামলায় জয়ের দাবি করল পাকিস্তান]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং