সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোন দেশের নাগরিক, সেটা বড় কথা নয়। টুইটারের মাধ্যমে সবসময়ই বিপদে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ান বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। পাকিস্তানের নাগরিকদেরও ভারতের আসার মেডিক্যাল ভিসার ব্যবস্থা করে দেন তিনি। ভারতের বিদেশমন্ত্রীর এই ভূমিকায় আপ্লুত সীমান্তের ওপারের বাসিন্দারা। এক পাক তরুণী টুইট করেছেন, সুষমা স্বরাজ যদি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতেন, তাহলে সে দেশের চেহারাই পালটে যেত।
[আধার ও প্যান ‘লিঙ্ক’ নিয়ে ফের নয়া সিদ্ধান্ত নিতে পারে কেন্দ্র]
প্রতি বছরে চিকিৎসাজনিত কারণে ভারতে আসেন বহু পাক নাগরিক। একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রতি মাসে ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ৫০০ জন করে পাক নাগরিকের চিকিৎসা হয়। কিন্ত, চর সন্দেহে ভারতীয় নৌসেনার প্রাক্তন অফিসার কুলভূষণ যাদবকে গ্রেপ্তারির পর থেকে ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। তাই সেদেশের নাগরিকদের ভারতে আসার মেডিক্যাল ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় রাশ টেনেছে পাক বিদেশমন্ত্রক। সমস্যায় পড়েছেন অনেকেই। আর বিপদে পড়া এইসব পাক নাগরিকদের এখন বড় ভরসা ভারতের বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। সম্প্রতি এক পাক নাগরিককে ভারতে আসার মেডিক্যাল ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে টুইটারে বিদেশমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছিলেন হিজাব আসিফ নাম এক পাক তরুণী। যথারীতি এক্ষেত্রেও দ্রুত পদক্ষেপ করেন সুষমা স্বরাজ। বিদেশমন্ত্রীর নির্দেশে ওই পাক নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইসলামাবাদের ভারতীয় দুতাবাস। এরপর ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পালটা টুইট করেন হিজাব আসিফ। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘সীমান্তের এপার থেকে আপনার জন্য অনেক অনেক ভালবাসা ও শ্রদ্ধা। আপনি যদি আমাদের প্রধানমন্ত্রী হতেন, তাহলে এই দেশের চেহারাটাই পালটে যেত।’
Lots and lost of love and respect from here. Wish you were our Prime Minister, this country would’ve changed!
— Hijaab asif (@Hijaab_asif) July 27, 2017
[হয় ক্ষমা নয় ৫০ কোটি টাকা, ডিআইজি রূপাকে হুমকি ডিজিপি-র]
পাক নাগরিকদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম আরও কঠোর করেছে পাকিস্তান সরকার। নতুন নিয়ম অনুসারে, পাক বিদেশমন্ত্রকের প্রধান সরতাজ আজিজের সুপারিশ ছাড়া সেদেশের কোনও নাগরিককে ভিসা দেওয়া যায় না। অভিযোগ, পাক নাগরিকদের ভারতের আসার মেডিক্যাল ভিসা দেওয়ার জন্য ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাসে সুপারিশপত্র পাঠাতে চান না সরতাজ আজিজ। বস্তুত, গত মাসে চিকিৎসাজনিত কারণে ভারতের আসার জন্য মেডিক্যাল ভিসার প্রয়োজন ছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দা ওসামা আলির। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকে ভিসা দেওয়ার জন্য ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাসে চিঠি পাঠাতে চাননি পাক বিদেশমন্ত্রকের প্রধান সরতাজ আজিজ। বাধ্য হয়ে বিদেশমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন ওসামা। সেইসময় বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অঙ্গ। তাই সেখানকার কোনও বাসিন্দাকে ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের কোনও চিঠির প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি, মেডিক্যাল ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি না দেওয়ার পাক বিদেশমন্ত্রকের প্রধান সরতাজ আজিজের কড়া সমালোচনা করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।
[OMG! ফের জেলে যেতে পারেন সঞ্জয় দত্ত!]
সর্বশেষ খবর
-
‘ফুটবল মহাকাব্য হলে, আপনি কর্ণ, যুদ্ধবিধ্বস্ত ক্রোয়েশিয়ার আলো’, লুকা মদ্রিচকে খোলা চিঠি
-
গোল করে নজির, বিশ্বকাপ স্বপ্নে এগোলেন রোনাল্ডো, ‘বন্ধু’র কাছে হেরে বিদায় মদ্রিচের
-
লাইফ বিগিনস অ্যাট ৪০… গোল করে বিশ্বকাপে জোড়া ইতিহাস রোনাল্ডোর
-
টিকিটাকায় ধরাশায়ী অস্ট্রিয়া, দুর্বার গতিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় স্পেন
-
মিড ডে মিলের মাংস দিয়ে স্যারের বিবাহ বার্ষিকীর ভোজ! শান্তিপুরের স্কুলে তুমুল শোরগোল