Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
চিন

নিশানায় ‘ড্রাগন’, ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিতে তৈরি আমেরিকা

সামরিক বলয় বানিয়ে লালফৌজকে বেকায়দায় ফেলতে তৈরি হচ্ছে ওয়াশিংটন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২০, ১৩:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২০, ১৩:৩৩

options
link
নিশানায় ‘ড্রাগন’, ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিতে তৈরি আমেরিকা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মঞ্চে দ্রুত পালটাচ্ছে সমীকরণ। চিনা আগ্রাসনকে নজরে রেখে সম্পর্ক মজবুত করছে আমেরিকা ও ভারত। প্রথা ভেঙে এবার অধুনা সোভিয়েত সর্বস্ব ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিতে তৈরি আমেরিকা (US)।

[আরও পড়ুন: বাড়ছে যুদ্ধের সম্ভাবনা, এবার পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়েছে চিনা বায়ুসেনা]

এশিয়া মহাদেশে চিনের আগ্রাসী গতিবিধি নজরে রেখে গত বৃহস্পতিবার ‘National defense authorization act 2021’ শীর্ষক একটি বিল সেনেটে পেশ করে ট্রাম্প প্রশাসন। এটি আইনে পরিণত হলে, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার বায়ুসেনার পাইলটদের প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে মার্কিন ফৌজের ঘাঁটি গুয়ামে প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, মাস ছয়েক আগেই সিঙ্গাপুরের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নং এঙ্গ হেনের সঙ্গে একটি মউ স্বাক্ষর করেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপার। এর ফলে গুয়ামে ফাইটার পাইলটদের প্রশিক্ষণের জন্য যৌথভাবে উদ্যোগী হয়েছে দুই দেশ। বিশ্লেষকদের মতে, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনকে ঘিরে ফেলতে তৎপর হয়েছে আমেরিকা। তাই ভারত, জাপান, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বিশেষ সামরিক বলয় বানিয়ে লালফৌজকে বেকায়দায় ফেলতে তৈরি হচ্ছে ওয়াশিংটন।

Advertisement

উল্লেখ্য, লাদাখে চিনা আগ্রাসন বাড়তেই ইউরোপ থেকে ফৌজ সরিয়ে এশিয়ায় মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ইতিমধ্যেই প্রশান্ত মহাসাগরে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে আমেরিকা। এছাড়া, চলতি মাসের শুরুর দিকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের ভারচুয়াল সামিটে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে ঐতিহাসিক Mutual Logistics Support Agreement (MLSA) চুক্তি৷ ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এই চুক্তির ফলে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে দু’দেশের মধ্যে সামরিক শক্তি বিনিময়ের পথ প্রশস্ত হয়েছে৷ তবে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, চুক্তি অনুসারী অস্ট্রেলিয়ার সেনাঘাঁটি ব্যবহার করে উপরোক্ত দুই মহাসাগরেই অবাধে পাড়ি দিতে পারবে ভারতীয় নৌবহর। এর ফলে চিনা নৌবাহিনীকে এক চক্রব্যূহর মধ্যে ঘিরে ফেলা যাবে। তারপর হাজার হাত পা ছুঁড়লেও মুক্তি পাবে না ‘ড্রাগন’।

[আরও পড়ুন: হংকং নিয়ে চিনকে কড়া বার্তা রাষ্ট্রসংঘের, চাপে জিনপিং প্রশাসন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.