Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
US

হোয়াইট হাউসে বিষ ভরতি চিঠি কে পাঠিয়েছিল? প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রহস্যজনক চিঠিটি নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মার্কিন মুলুকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০, ১১:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০, ১১:৪১

options
link
হোয়াইট হাউসে বিষ ভরতি চিঠি কে পাঠিয়েছিল? প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে ‘বিষ চিঠি’ কাণ্ডে গ্রেপ্তার এক মহিলা। CNN-এর একটি রিপোর্ট উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, কানাডা থেকে আমেরিকায় প্রবেশের সময় সীমান্তে গ্রেপ্তার করা হয় ওই মহিলাকে। ফলে এই ঘটনার শিকড় কানাডায় ছড়িয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

[আরও পড়ুন: বাড়ছে সংঘাত, ভারতীয় দূতাবাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কূটনীতিককে ভিসা দিল না পাকিস্তান]

শনিবার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসে এসে পৌঁছানো একটি চিঠি নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে মার্কিন মুলুকে। এমনিতে প্রতিদিন হোয়াইট হাউসের ঠিকানায় হাজার হাজার চিঠি গিয়ে পৌঁছায়, কিন্তু এই চিঠিটা অন্য। এর মধ্যে কোনও বার্তা ছিল না। ছিল সাক্ষাৎ মৃত্যু। হোয়াইট হাউসের ঠিকানায় পাঠানো ওই চিঠিটি ছিল বিষে ভরতি। এমন এক বিষ যার সংস্পর্শে এলেন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। তদন্তকারীর জানিয়েছেন, ওই চিঠিটি পোস্ট করা হয়েছিল কানাডার সেইন্ট হিউবার্ট থেকে। ফলে ষড়যন্ত্রের শিকড় যে পড়শি দেশটিতে রয়েছে সেই আশঙ্কাই করছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

এদিকে, মার্কিন তদন্তকারী সংস্থা FBI জানিয়েছে, টেক্সাসেও এমনই একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এই দুই চিঠির প্রেরক কানাডার ধৃত মহিলা বলে মনে করা হচ্ছে। ৪ ই বিষয়ে কানাডার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মার্কিন অধিকারিকর যৌথভাবে তদন্ত করছেন। প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে আসা চিঠিটিতে রাইসিন (Ricin) নামের বিষে ভরতি ছিল। এর সামান্যতম অংশের সংস্পর্শে এলেও মৃত্যু অবধারিত। তাও আবার ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে। এখনও গোটা বিশ্বে এর কোনও প্রতিষেধক তৈরি হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঠিকানায় পাঠানো এহেন মারাত্মক বিষ, ভাবাচ্ছে মার্কিন প্রশাসনের আধিকারিকদের। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই এই চিঠিকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। তদন্তে সাহায্য নেওয়া হবে ইউএস সিক্রেট সার্ভিস ও ইউএস পোস্টাল ইন্সপেকশন সার্ভিসেরও।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঠিকানায় বিষ ভরতি চিঠি পাঠানোর ঘটনা অবশ্য নতুন কিছু নয়। এর আগে ২০১৮ সালে একই ঘটনা ঘটেছিল। সেসময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, এফবিআই ডিরেক্টর-সহ আরও কয়েকজনকে রাইসিন ভরতি চিঠি পাঠানো হয়। সেই ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলে রয়েছেন এক ব্যক্তি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বারবার ট্রাম্পের উপরে হামলার ছক কেন? ঠিক মাসখানেক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাংবাদিক বৈঠকের সময় হোয়াইট হাউসের (White House ) বাইরে সন্দেহভাজন দুষ্কৃতীর আনাগোনা নজরে এসেছিল। সন্দেহের বশে এক ‘সশস্ত্র’ দুষ্কৃতীকে গুলিও করেন ট্রাম্পের নিরাপত্তারক্ষীরা।

[আরও পড়ুন: ‘ইমরানকে প্রধানমন্ত্রীর পদে বসানো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই’, হুঙ্কার ‘পলাতক’ নওয়াজ শরিফের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.