Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Birthmarks

গতজন্মে আপনি কেমন ছিলেন? উত্তর লুকিয়ে জন্মদাগেই! রহস্যভেদে সমুদ্রশাস্ত্র

পূর্বজন্মে বিশ্বাস থাক বা না থাক, জন্মদাগ নিয়ে কিন্তু আমাদের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি কেবলই কোষের গঠনগত বিন্যাস। কিন্তু জ্যোতিষ ও সমুদ্রশাস্ত্র বলছে অন্য কথা। তাঁদের মতে, এই দাগগুলো আসলে আমাদের আত্মার ফেলে আসা সময়ের এক একটি সংকেত। জন্মদাগ দেখেই নাকি বোঝা সম্ভব গতজন্মে আপনার পরিচয় কী ছিল? কেমন ছিল আপনার প্রকৃতি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৯:৩৪

options
link
গতজন্মে আপনি কেমন ছিলেন? উত্তর লুকিয়ে জন্মদাগেই! রহস্যভেদে সমুদ্রশাস্ত্র zoom
মানুষের শরীরের প্রতিটি চিহ্নই গত জন্মের কোনও না কোনও অজানা ঘটনার সংকেত দেয়।

পূর্বজন্ম নিয়ে আমাদের আগ্রহের শেষ নেই। কেউ বিশ্বাস করে, কেউ করে না। হিন্দু ধর্মে জন্ম-মৃত্যুর এই আবর্ত ও তা থেকে মুক্তির স্বরূপ নিয়ে বহু শাস্ত্রে আলোচনা রয়েছে। বলা হয়, মানুষের শরীরের প্রতিটি চিহ্নই গত জন্মের কোনও না কোনও অজানা ঘটনার সংকেত দেয়। পূর্বজন্মে বিশ্বাস থাক বা না থাক, জন্মদাগ নিয়ে কিন্তু আমাদের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি কেবলই কোষের গঠনগত বিন্যাস। কিন্তু জ্যোতিষ ও সমুদ্রশাস্ত্র বলছে অন্য কথা। তাঁদের মতে, এই দাগগুলো (Birthmarks) আসলে আমাদের আত্মার ফেলে আসা সময়ের এক একটি সংকেত। জন্মদাগ দেখেই নাকি বোঝা সম্ভব গতজন্মে আপনার পরিচয় কী ছিল? কেমন ছিল আপনার প্রকৃতি?

প্রতীকী ছবি

মুখের দাগ
শাস্ত্র বলছে, মুখে জন্মদাগ থাকা মানে গতজন্মে কর্মক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্যের অধিকারী ছিলেন তিনি। সমাজে যথেষ্ট নামডাক ও প্রতিপত্তি ছিল তাঁর। যদিও এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জীবন খুব একটা সুখের হয় না বলে মনে করা হয়। পারিবারিক সম্পর্কও ছিন্ন হয়। পেশাগত জীবনে সফল হলেও মানসিক অশান্তিতে ভুগতেন তাঁরা। অনেক ক্ষেত্রে তিল বা জন্মদাগের অবস্থান নির্দেশ করে যে, গতজন্মে ওই ব্যক্তি কোনও উচ্চপদস্থ রাজকর্মী বা শাসক ছিলেন।

Advertisement

পায়ের চিহ্ন
যাঁদের পায়ে জন্মদাগ থাকে, মনে করা হয় আগের জন্মে তাঁরা প্রবল ভ্রমণপিপাসু ছিলেন। কোনও পর্যটন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকাও অস্বাভাবিক নয়। নিজের জন্মস্থান থেকে দূরেই তাঁদের অধিকাংশ সময় কেটেছে। আশ্চর্যের বিষয় হল, বর্তমান জীবনেও এই জাতক-জাতিকাদের মধ্যে ভ্রমণের প্রতি এক সহজাত টান দেখতে পাওয়া যায়। সমুদ্রশাস্ত্র মতে, পায়ের পাতার নিচের দিকে দাগ থাকা মানেই সেই ব্যক্তি আজীবন গতিশীল থাকবেন।

হাতের দাগ
হাতে জন্মদাগ থাকা মানে দারিদ্রতার ক্লেশ। এই সমস্ত ব্যক্তি গতজন্মে অত্যন্ত পরিশ্রমী ছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, কঠোর পরিশ্রম করেও তাঁরা আশানুরূপ সফলতা পাননি। তাঁদের জীবন দুঃখ দারিদ্র ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে কেটেছে। হাতের তালুর জন্মদাগ অনেক সময় গতজন্মের কোনও অসম্পূর্ণ ইচ্ছার প্রতীক হিসেবেও ধরা হয়।

প্রতীকী ছবি

কাঁধের দাগ
যাঁদের কাঁধে জন্মদাগ থাকে, গতজন্মে তাঁরা ছিলেন দায়িত্বের গুরুভার বহনকারী। পারিবারিক তো বটেই, এমনকী সামাজিক দায়ভারও তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে এসেছেন। সমুদ্রশাস্ত্র অনুসারে, ডান কাঁধে এমন দাগ থাকার অর্থ— সেই ব্যক্তি আগের জন্মে কোনও সেনাপতি বা পরিবারের প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই বর্তমান জীবনেও এঁরা অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠেন। এঁদের ওপর অবলীলায় চোখ বুজে ভরসা করা যায়।

আসলে সংখ্যাতত্ত্বের মতোই সমুদ্রশাস্ত্রে তিল বা জন্মদাগের গুরুত্ব অপরিসীম। আধ্যাত্মিক দর্শনে এই চিহ্নগুলিকে শরীরের শক্তির কেন্দ্রবিন্দু বা ঈশ্বরদত্ত এক বিশেষ ‘কোড’ বলা হয়। যেমন কপালে জন্মদাগ থাকা উচ্চ আধ্যাত্মিক চেতনার লক্ষণ। কোনও দাগই অশুভ নয়, বরং তা জীবনের পথে চলার জন্য এক নীরব সতর্কবার্তা মাত্র।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.