সুকুমার সরকার, ঢাকা: আগেই সতর্ক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লঙ্কার ঝাঁজে যে আমজনতার চোখে জল আসবে তা আঁচ করতে পেরেছিলেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি যে আরও বেশি জটিল তা স্পষ্ট। ভারত থেকে আমদানি সত্ত্বেও লঙ্কার দামে লাগাম টানা যাচ্ছে না।
ভারত থেকে কাঁচা লঙ্কা বাংলাদেশের (Bangladesh) বাজারে পৌঁছনোর পরে সোমবার (৩ জুলাই) দাম অনেকটাই কমে গিয়েছিল। প্রতি কেজি ৬০০ টাকা থেকে কমে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয় লঙ্কা। মঙ্গলবারও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন বাজারে তা বিক্রি হয়েছে ২৪০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা কেজি। কিন্তু বুধবার বিভিন্ন বাজারে কাঁচা লঙ্কা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। আর এলাকাভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা তা বিক্রি করছে ৫০০ টাকা কেজিপ্রতি। তাছাড়া, চাহিদা থাকলেও আড়ত থেকে লঙ্কা সরবরাহে অনিয়মের অভিযোগও করছেন ব্যবসায়ীরা।
ঢাকার মিরপুরের সবজি বিক্রেতা মহম্মদ মোহন বলেন, “কাঁচা লঙ্কার দাম আবার বেড়েছে। আজ ২৫০ গ্রাম লঙ্কা বিক্রি করছি ১২৫ টাকায়। গতকাল ২৫০ গ্রাম বিক্রি করেছি ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। আজ প্রতি কেজি ৫০০ টাকায় বিক্রি করছি।” আরেক ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা রহমান বলেন, “আমরা কিনি বেশি দামে, তাই বিক্রিও করতে হয় বেশি দামে। আমরা তো আর বেশি করে কিনে রাখি না, যে কম দামে পাবো। আমরা প্রতিদিন ২-৩ কেজি করে কিনি, সেটাই বিক্রি করি।”
[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে শ্রমিক নেতা হত্যার প্রতিবাদে সরব আমেরিকা, চাপে ঢাকা]
অনেক বিক্রেতাই বলছেন, আড়তে মাল মজুত করে রেখেছে মুনাফাখোররা। ফলে গোদামে থাকলেও বাজারে মাল পৌঁছচ্ছে না। আরিফ নামের এক বিক্রেতা বলেন, “আড়তে গিয়ে দেখি লঙ্কা বিক্রি করছে না। বস্তা বেঁধে ফেলে রাখছে। আগামীকাল আরও বেশি দামে বিক্রি করবে বলে আজ দিচ্ছে না। আমি কষ্ট করে ১০ কেজি এনে বিক্রি করছি।” আরেক বিক্রেতা সবুজ জানান, তিনি দেশি লঙ্কা ৩৫০ টাকা ও ভারতীয় ৪০০ টাকা করে বিক্রি করছেন। তিনি অভিযোগ করে জানান, আড়ত থেকে লঙ্কা ঠিকমতো দিচ্ছে না।
[আরও পড়ুন: কড়া নাড়ছে বর্ষা, মূল্যবৃদ্ধি রুখতে ‘লঙ্কা বাঁচাও’ অভিযান হাসিনার]
সর্বশেষ খবর
-
মুক্তবাণিজ্যে দখিন হাওয়া, ঐতিহাসিক চুক্তিতে দেশের শিল্পক্ষেত্রে আসবে নবজোয়ার
-
‘আমিই সোনমের অনশন ভাঙাবো’, কী কী খাওয়াবেন রাখি সাওয়ান্ত?
-
আটকে থাকা ৮২ হাজার কোটির উন্নয়ন প্রকল্পে আসছে গতি, ১২৫ দিনের কাজে মজুরি বৃদ্ধি
-
জলপথে জেহাদি অনুপ্রবেশের আশঙ্কা? কড়া নজরদারি সুন্দরবনে, সীমান্তে বিএসএফের ডিজি
-
কলকাতায় ৮৪টি ছোট-বড় রথ, আইনশৃঙ্খলায় নামছে ২ হাজার পুলিশ