Hasina

শ্রীলঙ্কার মতো জঙ্গি হামলা হতে পারে বাংলাদেশেও, আশঙ্কা হাসিনার

শান্তির ধর্ম ইসলাম সম্পর্কে মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান হাসিনার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০১৯, ২০:১০

options
link
শ্রীলঙ্কার মতো জঙ্গি হামলা হতে পারে বাংলাদেশেও, আশঙ্কা হাসিনার
ফাইল ফটো

সুকুমার সরকার, ঢাকা: শ্রীলঙ্কার মতো বাংলাদেশেও জঙ্গি হামলা চালানোর চেষ্টা চলছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement

বৃহস্পতিবার ঢাকার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকা-রাজশাহী রুটে ননস্টপ বনলতা এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করার সময় এই মন্তব্য করেন তিনি। গত রবিবার ইস্টার সানডের দিনে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর কয়েকটি গির্জা ও হোটেলে আত্মঘাতী হামলা চালায় আইএসআইএস জঙ্গিরা। এর জেরে ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিনশো ছাড়িয়ে গেছে। নিহতদের মধ্যে শেখ হাসিনার পিসতুতো দাদা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের আট বছর বয়সী নাতি জায়ান চৌধুরিও রয়েছে। আহত হয়েছেন জায়ানের বাবাও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন-কথা দিয়েও বিয়ে করতে আসেনি প্রেমিক, ভিডিও কল করে আত্মঘাতী ছাত্রী]

এপ্রসঙ্গ উল্লেখ করে হাসিনা বলেন, “আজকে সন্ত্রাসবাদ শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী একটা সমস্যা। মাত্র কয়েকদিন আগেই শ্রীলঙ্কায় যে ঘটনা ঘটল সেখানেও আমরা বাংলাদেশের কয়েকজনকে হারিয়েছি। সবচেয়ে দুর্ভাগ্য অনেকগুলো শিশু সেখানে মারা যায়। আট বছরের শিশু জায়ানকেও হারাতে হয়েছে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে। বাংলাদেশেও এই ঘটনা ঘটানোর অনেক চেষ্টা চলছে। তবে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা যথেষ্ট সর্তকতা অবলম্বন করছে। আমি দেশবাসীকে আহ্বান জানাব, এই ধরনের সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যারা যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। কে কোথায় এই ধরনের কর্মকাণ্ডে সঙ্গে লিপ্ত, খবর পেলে গোয়েন্দাদের জানান।”

Advertisement

[আরও পড়ুন-কথা দিয়েও বিয়ে করতে আসেনি প্রেমিক, ভিডিও কল করে আত্মঘাতী ছাত্রী]

এরপরই আন্দোলনের নামে বিএনপি ও জামাতের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি। বলেন, “রেলের নতুন বগিগুলো আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। বাস কিনেছি, সেগুলো পুড়িয়েছে। তাছাড়া প্রাইভেট গাড়ি, বাস, ট্রাক, লঞ্চ এমন কিছু নেই যা ওরা ধ্বংস করেনি। সাধারণ মানুষের জীবনের উপরও আঘাত হেনেছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ছোট শিশু থেকে বৃদ্ধরাও। বাবা দেখেছে চোখের সামনে ছেলে পুড়ে যাচ্ছে, স্ত্রী দেখেছে চোখের সামনে স্বামী পুড়ে যাচ্ছে, মা দেখেছে সন্তান বা কন্যা পুড়ে যাচ্ছে। আমরা চাই না এ জাতীয় ঘটনা বাংলাদেশে আর ঘটুক। ইসলাম শান্তির ধর্ম তাই মসজিদগুলোতে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করুন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.