BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কথা দিয়েও বিয়ে করতে আসেনি প্রেমিক, ভিডিও কল করে আত্মঘাতী ছাত্রী

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: April 25, 2019 5:33 pm|    Updated: August 21, 2020 3:17 pm

An Images

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বিয়ের আশ্বাস দিয়েছিল প্রেমিক। কিন্তু, নির্ধারিত দিনে বিয়ে করতে না আসেনি। তাই প্রেমিককে ভিডিও কল করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হল ঢাকার ইডেন কলেজের এক ছাত্রী। নাম সায়মা কালাম মেঘা। ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকার কাঁঠালবাগান এলাকার ৭৪/১ ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে। খবর পেয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় কাঁঠালবাগানের একটি বাড়ির চারতলার ঘর থেকে দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রাতে কলাবাগান থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করেন মৃতের কাকা আবুল বাশার।তাঁর অভিযোগ, ঝালকাঠির পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার মাহিবী হাসান (২৫) নামে এক যুবকের প্ররোচনায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে মেঘা। 

[আরও পড়ুন-যুদ্ধাপরাধের দায়ে আরও ২ রাজাকারের ফাঁসির আদেশ]

এপ্রসঙ্গে মেঘার বাবা আবুল কালাম আজাদ জানান, ঝালকাঠি মহিলা কলেজে উচ্চমাধ্যমিক পড়ার সময় বরিশাল হাতেম আলি কলেজের ছাত্র মাহিবী হাসানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মেঘার। ২০১৭ সালে ঢাকা ইডেন কলেজে ভরতি হয় সে। তারপর থেকে কাঁঠালবাগান এলাকায় একটি বাড়িতে পেয়িংগেস্ট হিসেবে ভাড়াও থাকতে শুরু করে। এই সময় ঢাকায় গিয়ে মাহিবী হাসান প্রায়ই মেঘার সঙ্গে দেখা করত। মাস ছয়েক আগে মেঘা এবং মাহিবী বিয়ের ব্যাপারে একমত হলেও বাদ সাধেন মাহিবীর মা সেলিনা বেগম। বাধ্য হয়ে সপ্তাহখানেক আগে কাউকে কিছু না জানিয়ে ঢাকায় বিয়ে করার পরিকল্পনা করে তারা। এর জন্য মেঘা কিছু কেনাকাটাও করেছিল। কিন্তু, মাহিবী কথা দিয়েও বিয়ের জন্য ঢাকায় যায়নি। এই বিষয় নিয়ে মোবাইল ফোনে তাদের ঝগড়াও হয়।

[আরও পড়ুন-সন্তানের পিতৃত্বের দাবি জানিয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ যুবক]

জানা গিয়েছে, মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে মেঘা এবং মাহিবীর মধ্যে ভিডিও কলে কথাও হয়। সেই সময়ই মেঘা তার প্রেমিক মাহিবীকে জানায়, মাহিবী যদি বিয়ে না করে তাহলে এখনই সে আত্মহত্যা করবে। এরপরও মাহিবী তাকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে পড়ে মেঘা। চোখের সামনে মর্মান্তিক এই দৃশ্য দেখার পরেও মেঘাকে বিয়ে করতে রাজি হয়নি মাহিবী। উলটে মেঘার মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর মেঘার মা রুবিনা আজাদকে ফোন করে বিষয়টি জানায়। মেঘার মা সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি ঢাকায় মেঘার বান্ধবী আনিকাকে জানালে সে কিছু বন্ধুবান্ধব নিয়ে কাঁঠালবাগানের ওই বাড়িটিতে যায়। তারপর বাড়ির মালিকের সাহায্য নিয়ে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় মেঘাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু, সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা মেঘাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement