CM Suvendu Adhikari

আবাসে ৩০ লক্ষ নতুন বাড়ি, ‘১ টাকাও কেউ চাইলে আমাকে খবর দিন’, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

শুভেন্দু আরও জানান, ২০২৭ সালের মধ্য়ে শিক্ষক, পুলিশ-সহ সব মিলিয়ে ১ লক্ষের কাছাকাছি নিয়োগ হবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৭:১৬

options
link
আবাসে ৩০ লক্ষ নতুন বাড়ি, ‘১ টাকাও কেউ চাইলে আমাকে খবর দিন’, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
১৭ আগস্ট, সোমবার। পুরুলিয়ার মানবাজারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আবাস যোজনায় (Awas Yojana) রাজ্যে নতুন প্রায় ৩০ লক্ষ বাড়ি তৈরি হবে। পুরুলিয়ার মানবাজারে জাইকার জল প্রকল্পের সূচনা অনুষ্ঠান থেকে একথা জানান মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তৃণমূল আমলে যে তোলাবাজি, সিন্ডিকেটরাজ ও কাটমানি নেওয়া হত তা আর হবে না বলে স্পষ্ট করে দেন তিনি। তাঁর কথায়, “বাড়ি তৈরিতে যদি ১ টাকাও কেউ চায় আমাকে খবর দেবেন। জঙ্গলমহলে ছাদহীন কোনও বাড়ি থাকবে না।” বাংলা আবাসের দুর্নীতি নিয়ে বিগত সরকারকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু আরও জানান, ২০২৭ সালের মধ্য়ে শিক্ষক, পুলিশ-সহ সব মিলিয়ে ১ লক্ষের কাছাকাছি নিয়োগ হবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

Advertisement

বিগত সরকারের আমলে আবাস যোজনায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু। তিনি জানান, সব অবৈধ বালির ঘাটকে বৈধ করা হবে। পশ্চিমবঙ্গ আবাস ও প্রধানমন্ত্রী আবাসের জন্য বাড়িতে তৈরিতে ১২০০ টাকা করে বালি পাবেন উপভোক্তারা।

Advertisement

রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর কেটেছে ১০০ দিন। সোমবার ১০০ তম দিনে পুরুলিয়ার মানবাজারে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কাজকর্মের খতিয়ান তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, এই ১০০ দিন নতুন সরকার রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ও সাংবিধানিক কর্তব্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। বিগত সরকার যা করেনি বর্তমান সরকার তা করবে। স্বাধীনতার ৮০ তম বছরেও পুরুলিয়ার বিভিন্ন গ্রামে পৌঁছয়নি পানীয় জল। কেন্দ্রীয় সরকার জল জীবন মিশনের জন্য ২৭ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। কল আছে কিন্তু জল নেই। এবার আর তা হবে না। ১২৯৬ কোটি টাকার জাইকার জল প্রকল্পের সূচনা করে তিনি আশ্বাস দেন, প্রতিদিন জন প্রতি ৭০ লিটার করে পানীয় জল পাবেন।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, এতদিন ৬০০ কিলোমিটার বর্ডারে কোনও বেড়া ছিল না। হু হু করে রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ হত। রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে দেওয়া হয়েছিল। পালাবদলের পর বিএসএফকে জমি দেওয়ার কাজ শুরু করেছে বিজেপি সরকার। সেন্সাসের কাজ শুরু হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা চালু হয়েছে। বাতিল হয়েছে ওবিসিদের অবৈধ তালিকাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.