Jadavpur University

ফের শিরোনামে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, এবার তরুণ কর্মীকে চরম ‘হেনস্তা’ সিনিয়রদের

কর্মজীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বারবার কেঁদে ফেলেন তরুণ।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৩:২৪

options
link
ফের শিরোনামে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, এবার তরুণ কর্মীকে চরম ‘হেনস্তা’ সিনিয়রদের
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ কর্মীকে চরম 'হেনস্তা' সিনিয়রদের। নিজস্ব চিত্র

আবারও শিরোনামে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সিনিয়র কর্মীর বিরুদ্ধে তরুণ সহকর্মীকে চরম মানসিক হেনস্তার অভিযোগ উঠল। দিনের পর দিন হেনস্তায় মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ওই তরুণ। সোশাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে সহকর্মীদের দুর্ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। অভিযুক্ত সহকর্মীদের বিরদ্ধে দ্রুত উপযুক্ত ব্যবস্থার দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজনে আত্মহননের পথও বেছে নিতে পারেন বলেও সোশাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করেন ওই তরুণ।

Advertisement

ওই তরুণ খড়দহের বাসিন্দা। তিনি রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তনী। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেন। তারপর গত ২০২৩ সালে টেকনিক্যাল হেড হিসাবে চাকরিতে যোগ দেন। তাঁর মূল কাজ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টিহীন পড়ুয়াদের সাহায্য করা। কর্মজীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বারবার কেঁদে ফেলেন তরুণ। তিনি বলেন, “চাকরিতে যোগদানের প্রথম মাসের পর থেকে সিনিয়র স্টাফরা আমাকে কটূক্তি করত। চন্দ্রলেখা সিনহা নামে ৭৩ বছর বয়সি সিনিয়র স্টাফ মূলত আমাকে কটূক্তি করত। আমি তখন মুখ খুলিনি। ওরা অফিসের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখত। সই করতে দিত না। বেতন ইচ্ছাকৃতভাবে দেরিতে দিত। চন্দ্রলেখা সিনহা ও সঙ্গীতা হাজরা দৃষ্টিহীন পড়ুয়াদের বলতেন তোরা রেজিস্ট্রারকে গিয়ে বলবি ও কম্পিউটার চালাতে পারে না। দুর্ব্যবহার করে। এভাবে ওঁরা আমার বদনাম করে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পরিস্থিতি এতটাই দমবন্ধকর হয়ে যায় একসময় তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ই-মেলও করেন। ওই তরুণের দাবি, “আমি ই-মেল করে কাজের পরিবেশ খারাপ জানিয়েছিলাম। হেনস্তা করা হয় এখানে। তারপর থেকে আমি আরও বেশি করে টার্গেট হয়ে যাই।” সহকর্মীদের বিরুদ্ধে তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, “পাগল প্রমাণের চেষ্টা করে। জোর করে আমাকে কাউন্সেলিং করাতে নিয়ে যায়।” ওই যুবক আরও বলেন, “আমার এসএসকেএম হাসপাতালের রিপোর্ট আছে। আমি একেবারে ফিট।” বর্তমানে চাকরিহীন ওই যুবক। সোশাল মিডিয়ায় সহকর্মীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। অভিযুক্ত সহকর্মী দেবাশিস বোস ওরফে মিরাজ, চন্দ্রলেখা সিনহা, সঙ্গীতা হাজরার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন তরুণ।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন