রাষ্ট্রসংঘ

ফের বিশ্ব দরবারে সেরা রাজ্যের প্রকল্প, রাষ্ট্রসংঘে পুরস্কৃত ‘উৎকর্ষ বাংলা’, ‘সবুজ সাথী’

টুইটারে নিজেই সুখবর প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১৪:১৯

options
link
ফের বিশ্ব দরবারে সেরা রাজ্যের প্রকল্প, রাষ্ট্রসংঘে পুরস্কৃত ‘উৎকর্ষ বাংলা’, ‘সবুজ সাথী’

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: বিশ্ব দরবারে সমাদৃত রাজ্য সরকারের একের পর এক প্রকল্প৷‘কন্যাশ্রী’র পর ‘উৎকর্ষ বাংলা’ এবং ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পের মাথায় যে নতুন শিরোপা উঠতে চলেছে, তার আগাম ইঙ্গিত ছিলই৷ বৃহস্পতিবার টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সুখবর দিলেন৷ জানালেন, রাষ্ট্রসংঘের ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি বিভাগে পুরস্কার জিতল৷

Advertisement

৮ বিভাগের মোট ১০৬২টি মনোনয়নের মধ্যে থেকে সেরার তকমা পেয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনাপ্রসূত দু’টি প্রকল্প ‘উৎকর্ষ বাংলা’ এবং ‘সবুজ সাথী’৷ প্রথমটি রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য, আর দ্বিতীয়টি রাজ্যজুড়ে স্কুল ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে সাইকেল প্রদান৷ প্রকল্প দু’টি চালু হওয়ার পরই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে৷ সুবিধা পেয়েছেন বহু মানুষ৷ ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটিতে ‘চ্যাম্পিয়ন প্রজেক্ট’ হিসেবে পুরস্কৃত ‘উৎকর্ষ বাংলা’ এবং ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং’ বিভাগে সর্বসেরা হয়েছে ‘সবুজ সাথী’৷ ৯ তারিখ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এই স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

                                            [ আরও পড়ুন: প্রথম দফার ভোটে ‘গণতন্ত্রের হত্যা’, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ বিজেপির]

টুইটারে এনিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া চেপে রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী৷ আনন্দ প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, এই সাফল্যের নেপথ্যে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন৷ ‘উৎকর্ষ বাংলা’য় অন্তত ৬ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছেন এবং ‘সবুজ সাথী’র সাইকেল পেয়েছেন অন্তত ১ লক্ষ ছাত্রছাত্রী৷ ‘উৎকর্ষ বাংলা’ প্রকল্প কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। রাজ্যের উদ্যোগে লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী নিখরচায় দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ও পাচ্ছেন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই প্রকল্পের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারিগরি প্রশিক্ষণ দপ্তরের সোসাইটি ফর স্কিল ডেভেলপমেন্ট এই প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে। উদ্ভাবনীর দিক থেকে নতুন নতুন কোর্সও জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

Advertisement

                                       [ আরও পড়ুন: ‘২৬ মে মমতা সরকারের মৃত্যু ঘণ্টা বাজবে’, রাজ্যকে বেনজির আক্রমণ অমিতের]

২০১৮ সালের ২ জুলাই থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রসংঘ আয়োজিত ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটিতে মনোনয়ন পেশ করার সময় ছিল৷ সূত্রের খবর, গতবারের তুলনায় ২১৬ শতাংশ মনোনয়ন বেশি জমা পড়েছিল। মোট ১১৪০ মনোনয়ন জমা পড়লেও প্রাথমিক বাছাইয়ে স্থান পায় ১০৬২টি। পাঁচটি দফায় এরপর চূড়ান্ত নির্ধারণ হয়। এর আগে ২০১৭-এ ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প রাষ্ট্রসংঘের জনপ্রশাসন বিভাগে সেরার সম্মান ছিনিয়ে এনেছিল। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়া হয়েছিল। এবার দেশজুড়ে নির্বাচনের আবহ৷ তাই বিশ্বসেরার পুরস্কার নিতে মুখ্যমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থাকতে পারেননি৷ তাতে অবশ্য তেমন কোনও আক্ষেপ নেই তাঁর৷ রাজ্যের প্রকল্প এভাবে বিশ্বমহলে স্বীকৃতি পাচ্ছে, তাতেই অত্যন্ত আনন্দিত তিনি৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন