গাছে বেঁধে শাস্তি

ফসল খেয়েছে মোষের দল, যুবককে গাছে বেঁধে ‘শাস্তি’ কৃষকদের!

৪ঘণ্টা ধরে কী অবস্থায় ছিলেন যুবক, দেখুন ভিডিও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০১৯, ১৫:৫৭

options
link
ফসল খেয়েছে মোষের দল, যুবককে গাছে বেঁধে ‘শাস্তি’ কৃষকদের!

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ব্যস্ত রাস্তা, যান চলাচলের বিরাম নেই। অথচ রাস্তার পাশে একটি গাছে যে একজনকে বেঁধে রাখা হয়েছে, সেদিকেই নজর পড়ল না কারও-ই! এমনই অমানবিক ঘটনা ঘটল পুরুলিয়ায়। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।  

Advertisement

[আরও পড়ুন: দিলীপ ঘোষের ফ্লেক্সে পুজো! বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূল কাউন্সিলরের বাবা]

কিন্তু ওই ব্যক্তির পরিচয় কী? কেনই বা তাঁকে ভরদুপুরে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছিল? জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম কমলেশ রায়। বাড়ি, পুরুলিয়ার আদ্রায়। কমলেশের বক্তব্য, গত মঙ্গলবার পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে জয়চণ্ডী পাহাড়ের রেল স্টেশনের কাছে জমিতে যখন মোষ চরাচ্ছিলেন, তখন মোষগুলি জমির ফসল খেয়ে ফেলে। সেই রাগেই তাঁকে রঘুনাথপুর-আদ্রা রাজ্য সড়কের ধারে একটি গাছে তাঁকে প্রায় ঘণ্টা চারেক বেঁধে রেখেছিলেন কার্তিক গড়াই নামে স্থানীয় এক কৃষক। আক্রান্তের দাবি, যাতায়াতের পথে ঘটনাটি অনেকেরই নজরে পড়েছিল। কিন্তু, কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি। শেষপর্যন্ত ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই টনক নড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের। চাপে পড়ে কমলেশকে মুক্তি দেন অভিযুক্ত কৃষকই। মুক্তি পাওয়ার পর রঘুনাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই রাখাল। তদন্তে নেমেছে পুলিশ

Advertisement

Advertisement

এদিকে কমলেশকে যে তিনিই গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছিলেন, তা স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্ত কার্তিক গড়াই। জানা গিয়েছে, কৃষক হলেও, যথেষ্ট বিত্তবান তিনি। স্রেফ চাষের জমিই নয়, পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর-আদ্রা রাজ্য সড়কের পাশে একটি খামারবাড়িও আছে কার্তিকের। ওই কৃষকের সাফাই, গত কয়েক দিন ধরেই লাগাতার তাঁর জমির ফসল খেয়ে নিচ্ছিল মোষের দল। এমনকী, খামার বাড়িতে ঢুকেও তাণ্ডব চালাচ্ছিল মোষের দল। রাখাল কমলেশ রায়কে বহুবার বলেও কোনও লাভ হয়নি।তাই রাগে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে তিনি কমলেশকে বেঁধে রেখেছিলেন। কাজটি যে মোটেই সমীচীন হয়নি, তাও পরে স্বীকার করেছেন কার্তিক।

দেখুন ভিডিও:

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.