শাহাজাদ হোসেন, ফরাক্কা: পরকীয়ার শাস্তি। রাতভর দুই মহিলাকে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠল গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সুতি থানা এলাকায়। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সেই ভিডিও। নক্কারজনক ঘটনার নিন্দা করেছে ওয়াকিবহল মহল।
বিষয়টা ঠিক কী? সুতির রাজবংশী গ্রামের বাসিন্দা নির্যাতিতা দুই মহিলা। তাঁদের স্বামী কর্মসূত্রে বাড়ির বাইরে। ফলে বাড়িতে একাই থাকতেন তাঁরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বামী না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এলাকার কয়েকজন যুবকের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ওই দু’জন। রাতে দেখা করতে যেতেন প্রেমিকদের সঙ্গে। কিন্তু বেশিদিন বিষয়টা গোপন রাখতে পারেননি না। স্থানীয়রা টের পেতেই সমস্যার শুরু। জানা গিয়েছে, স্থানীয়রা ওই দুই মহিলার গতিবিধির উপর নিয়মিত নজর রাখতে শুরু করেন। অভিযোগ, প্রতিনিধি গভীর রাতে বাড়ি থেকে বেরতেন ওই দু’জন। মঙ্গলবারও রাতের অন্ধকারে ওই দু’জনকে বাড়ি থেকে বের হতে দেখেন স্থানীয়রা।
[আরও পড়ুন: ‘মহান ব্যক্তিরা ভেদাভেদ করেন না’, নেপালি কবি ভানুভক্তের জন্মদিনে ঐক্যের বার্তা মমতার]
সেই থেকে তক্কে তক্কে ছিলেন গ্রামবাসীরা। ফেরার অপেক্ষায় প্রহর গুনছিলেন তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, রাত তিনটে নাগাদ বাড়ি ফিরে আসছিলেন নির্যাতিতারা। তখন উত্তেজিত জনতা তাদের ধরে ফেলে। সারারাত দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয় দুই মহিলাকে। সেই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই হইচই শুরু হয়। সকালে নিকটবর্তী আহিরণ ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে গৃহবধূদের উদ্ধার করে।
গ্রামবাসীদের কথায়, ওই দুই মহিলার জন্য গ্রামের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল। যদিও অভিযোগ আদৌ কতটা সত্য, তা জানা যায়নি। তবে নির্যাতিতারা বুধবার সকাল পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। তাই কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
[আরও পড়ুন: দার্জিলিংয়ে স্বমেজাজে মুখ্যমন্ত্রী, ঘুরে দেখলেন বাজার, গুরু পূর্ণিমায় খুদেদের দিলেন চকোলেট]
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!