PM Narendra Modi

‘১০ বছরে যা হল সেটা ট্রেলার, আরও অনেক বাকি’, কোচবিহারে হুঙ্কার মোদির

প্রধানমন্ত্রী বুঝিয়ে গেলেন, লোকসভা ভোটটা রাজ্যের ভোট নয়। এটা কেন্দ্রের ভোট। দিল্লিতে মজবুত সরকার গঠন করার ভোট। আর দিল্লিতে মজবুত সরকার গঠন করতে পারে একমাত্র মোদিই। অন্য কেউ নয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৪, ১৬:৫৬

options
link
‘১০ বছরে যা হল সেটা ট্রেলার, আরও অনেক বাকি’, কোচবিহারে হুঙ্কার মোদির
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর ১০ বছরের শাসনকাল শুধুই ট্রেলার। আরও অনেক বাকি। কোচবিহারের সভা থেকে যেন হুঙ্কার দিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বলে গেলেন, উদ্দেশ্য সঠিক হলেই পরিণাম সফল হয়। আর মোদি এত কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, কারণ তাঁর উদ্দেশ্য সঠিক।

Advertisement

বাংলার নির্বাচনী প্রচারে এসে এতদিন রাজ্য সরকার এবং মমতার মুণ্ডপাত করাই ছিল তাঁর রীতি। এবারও তৃণমূলকে (TMC) আক্রমণ করলেন বটে। তবে সেটার তীব্রতা কম। বরং সুকৌশলে তিনি মমতার সঙ্গে সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে গেলেন। বুঝিয়ে গেলেন, লোকসভা ভোটটা রাজ্যের ভোট নয়। এটা কেন্দ্রের ভোট। দিল্লিতে মজবুত সরকার গঠন করার ভোট। আর দিল্লিতে মজবুত সরকার গঠন করতে পারেন একমাত্র মোদিই। অন্য কেউ নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘কংগ্রেস দলটা ভেঙে পড়েছে’, বহিষ্কৃত হয়েই খোঁচা সঞ্জয় নিরুপমের, বিজেপিতে যোগ?

প্রধানমন্ত্রী দাবি করলেন, তিনি জনতার সামান্য সেবক। তাঁর উদ্দেশ্য সঠিক তাই পরিণাম সফল। কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মোদি বললেন,উদ্দেশ্য সঠিক ছিল বলেই কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল করতে পেরেছেন তিনি। উদ্দেশ্য সঠিক ছিল বলেই সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ চালু করতে পেরেছেন। উদ্দেশ্য সঠিক ছিল বলেই ৫০০ বছরের সংগ্রামের ফসল রাম মন্দির তৈরি হয়েছে। এর পরই প্রধানমন্ত্রীর দৃপ্ত ঘোষণা, “এই ১০ বছরে যা যা হয়েছে, সবটাই ট্রেলার। আমাকে আরও অনেক কাজ করতে হবে। দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।”

Advertisement

বস্তুত মোদি সত্যিই গত ১০ বছরে বেশ কয়েকটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিরোধীরা বলেন, মোদির কঠিন সিদ্ধান্তের অধিকাংশই ধর্মীয় মেরুকরণের উদ্দেশে নেওয়া।  এবং বিজেপির ঘোষিত এজেন্ডা। সেই এজেন্ডাগুলির মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এবং ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার মতো কতগুলো জটিল প্রক্রিয়া এখনও বাকি। প্রশ্ন হল, প্রধানমন্ত্রী যখন বলছেন, তাঁর আরও অনেক কাজ বাকি, তাহলে কি তিনি আরএসএস এবং বিজেপির চূড়ান্ত এজেন্ডা পূরণের লক্ষ্যেই আগামী দিনে এগোবেন? আশঙ্কা দানা বাঁধতে শুরু করেছে বিরোধী শিবিরে। 

[আরও পড়ুন: শত্রুর বুকে ভয় ধরিয়ে অগ্নি-প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ, আরও শক্তিশালী ভারত

কোচবিহারের সভা থেকে মোদি জনতাকে বোঝালেন, ‘কংগ্রেস, বাম এবং তৃণমূলের ইন্ডি জোট শুধুই মানুষকে বোকা বানিয়ে রেখেছে। বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে বিজেপিকে শক্তিশালী করতে হবে।” বাংলার নিয়োগ দুর্নীতি, সন্দেশখালি, সিএএ সব ইস্যুতেই সরব হলেন। তবে সবচেয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য সম্ভবত ওটাই। ‘এটা ট্রেলার, আরও অনেক বাকি?’ তাহলে কি প্রধানমন্ত্রী ২৪ (Lok Sabha 2024) পেরিয়ে আরও দূরদর্শী পরিকল্পনা করছেন? আগামী দিনেও প্রধানমন্ত্রী থাকার ব্যাপারে কি তিনি নিশ্চিত?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.