Ashok Kirtania

নার্স মৃত্যুর তদন্তে গড়িমসি! ‘যেন থানায় না যেতে হয়’, পুলিশকে ‘ধমক’ মন্ত্রী অশোকের

ফের নতুন করে এফআইআর করে তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেন তিনি। বিধায়ক তথা মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়ার 'অ্যাকশনে' স্বস্তিতে নিহত বধূর পরিবারের লোকজন।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ২১:৩৮

options
link
নার্স মৃত্যুর তদন্তে গড়িমসি! ‘যেন থানায় না যেতে হয়’, পুলিশকে ‘ধমক’ মন্ত্রী অশোকের
নার্স মৃত্যুর তদন্তে পুলিশকে কড়া নির্দেশ মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়ার

সরকারের পালাবদলের পর সুবিচারের আশা। এনআরএস হাসপাতালের নার্সের রহস্যমৃত্যুর তদন্তের দাবিতে বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার দ্বারস্থ নিহতের পরিবার। পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন স্বজনহারারা। তাঁদের সামনেই পুলিশকে ফোন করে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন তিনি।

Advertisement
Nurse
নিহত নার্স ও তাঁর শিশুকন্যা। নিজস্ব চিত্র

মন্ত্রী ফোনে পুলিশকে বলেন, “হিঙ্গলগঞ্জ থানায় আমায় যেতে হলে ভালো হবে না। তাই থানায় যেন যেতে না হয়। তৃণমূলের আমল কি এখনও পুলিশ ভুলতে পারছে না?”

নিহত শুভ্রা দাস বনগাঁর বাসিন্দা। হিঙ্গলগঞ্জে ছিল তাঁর শ্বশুরবাড়ি। এনআরএস হাসপাতালে নার্সের চাকরি করতেন। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়িতে লাঞ্ছনা, গঞ্জনা সহ্য করতেন তিনি। বাপের বাড়ির লোকজন তা জানতেন। ইতিমধ্যে গত ২৩ জুন, হিঙ্গলগঞ্জের একটি জলাশয় থেকে এনআরএস হাসপাতালের নার্স শুভ্রা সাহার দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর শিশুকন্যার দেহও উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অত্যাচারে এই ঘটনাটি ঘটেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুভ্রার বোনের দাবি, অত্যাচারের অভিযোগ বারবার উড়িয়ে দিতেন বধূর শ্বশুরবাড়ির লোকজন। উলটে দিদিকে মানসিক অবসাদগ্রস্ত ছিলেন বলে অভিযোগ করতেন তাঁর স্বামী, শ্বশুরেরা। দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে আত্মহত্যা বলেও দাবি করা হয় শ্বশুরবাড়ির তরফে। দাবি করা হয়, শ্বশুরের শেষকৃত্য়ের পর নদীতে ঝাঁপ দিয়ে শুভ্রা আত্মঘাতী হয়েছেন। হিঙ্গলগঞ্জ থানায় শুভ্রার পরিবারকে দিয়ে জোর করে আত্মহত্যার রিপোর্ট লেখানো হয় বলেই অভিযোগ।

Advertisement

পুলিশ এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলেই অভিযোগ। রবিবার পরিবারের লোকজন অশোক কীর্তনীয়ার দ্বারস্থ হন শুভ্রার বাপের বাড়ির লোকজন। তিনি নিহতের বাপের বাড়ির লোকজনের সামনেই ঘটনার তদন্তকারী আধিকারিক, হিঙ্গলগঞ্জ থানার আইসি, বসিরহাটের পুলিশ সুপারকে ফোন করেন। মন্ত্রী ফোনে বলেন, “হিঙ্গলগঞ্জ থানায় আমায় যেতে হলে ভালো হবে না। তাই থানায় যেন যেতে না হয়। তৃণমূলের আমল কি এখনও পুলিশ ভুলতে পারছে না?” ফের নতুন করে এফআইআর করে তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেন তিনি। বিধায়ক তথা মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়ার ‘অ্যাকশনে’ স্বস্তিতে নিহত বধূর পরিবারের লোকজন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.