NEET

পড়ার চাপেই ঘরছাড়ার সিদ্ধান্ত! বাড়ি ফিরে জানালেন বেলঘরিয়ার নিখোঁজ NEET পরীক্ষার্থী

মঙ্গলবার থেকে বেপাত্তা ছিলেন ওই পরীক্ষার্থী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২০, ১২:৪৭

options
link
পড়ার চাপেই ঘরছাড়ার সিদ্ধান্ত! বাড়ি ফিরে জানালেন বেলঘরিয়ার নিখোঁজ NEET পরীক্ষার্থী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পড়াশোনার প্রবল চাপ। নিজের জন্য একমুহূর্ত সময়ও ছিল না। ফলে অবসাদ গ্রাস করেছিল বেলঘরিয়ার নিখোঁজ NEET পরীক্ষার্থীকে। সেই কারণেই ঘরছাড়ার সিদ্ধান্ত। ২ দিন পর বাড়ি ফিরে এসে একথাই জানালেন তিনি। সুস্থ অবস্থায় ছেলেকে ফিরে পেয়ে খুশি পরিবার।

Advertisement

রক্ষিত মিত্তল বেলঘরিয়ার (Belgharia) বেশ উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান। চলতি বছর NEET পরীক্ষায় বসার কথা ছিল তাঁর। প্রস্তুতিও চলছিল জোরকদমে। তবে মঙ্গলবার রাতে হল ছন্দপতন। পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার রাত আটটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরোন তিনি। সঙ্গে ছিল স্কুটি ও হেলমেট। খুব তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরবে বলেও জানান। তবে রাত বাড়লেও আর বাড়ি ফেরেননি রক্ষিত। রাতেই থানায় যান রক্ষিতের পরিজনেরা। নিখোঁজ ডায়েরি করেন তাঁরা। মোবাইল টাওয়ার লোকেশন অনুযায়ী শেষ দত্তপুকুর এলাকায় রক্ষিত ছিলেন বলেই জানা যায়। তবে তারপর থেকে সুইচড অফ হয়ে যায় মোবাইল। বেলঘরিয়ার আলমবাজার মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী সেখানে তাঁকে পুজো দিতেও দেখা যায়। তবে তারপর তিনি স্কুটি নিয়ে কোথায় গেলেন তা জানা যায়নি। পরের দিন বেলডাঙায় মেলে ওই পরীক্ষার্থীর স্কুটি ও হেলমেট।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় বাসের টিকিট নিতে অনীহা যাত্রীদের, বন্ধ হচ্ছে ছাপাখানা]

এরপরই অপহরণের সন্দেহ আরও জাঁকিয়ে বসে তদন্তকারীদের মনে। শুরু হয় তল্লাশি। তবে আসল তথ্য ফাঁস হস বৃহস্পতিবার সকালে রক্ষিত তাঁর বাবাকে ফোন করার পর। জানা গিয়েছে, এদিন বহরমপুর থেকে বাসে কলকাতায় আসেন তিনি। শহরে পৌঁছেই বাবাকে ফোন করেন তাঁকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য। ফিরে জানান, পড়ার চাপ আর নিতে পারছিলেন না। কী করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না। সেই কারণেই কিছুটা সময় একা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আর তাই পরিকল্পনা করেই ঘরে ছেড়েছিলেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘প্রশান্ত কিশোর টাকার থলি নিয়ে ঘুরছেন, ফোন করে দল ভাঙাচ্ছেন’, তোপ দিলীপের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.