রেললাইনে অন্তর্ঘাতমূলক কাজ রুখে দিয়ে পুরস্কৃত হলেন দুই রেলকর্মী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রেলের খড়গপুর ডিভিশনের ডিআরএম ললিত মোহন পাণ্ডে দুই রেলকর্মীর হাতে নগদ অর্থ ও প্রশংসাপত্র তুলে দিয়েছেন। এই দুই রেলকর্মী হলেন ট্র্যাক মেনটেইনার-৩ সঞ্জয় সিং ও ট্র্যাক মেনটেইনার-৪ ভীম মাহাতো। এই দুই রেলকর্মীর তৎপরতায় ৭ সেপ্টেম্বর রাতে দু’দফায় রেলের খড়গপুর ডিভিশনের ঝাড়গ্রাম-গিধনি শাখায় বড়সড় রেল দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে।
আরও পড়ুন:
ডিআরএম ললিত মোহন পাণ্ডে দুই রেলকর্মীর কাজের ও যাত্রীদের নিরাপত্তার প্রতি নিষ্ঠা ও তৎপরতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “এধরনের কর্মীরা আমাদের সম্পদ। ওদের তৎপরতায় ওইদিন রাতে দু’টি রেললাইন বড়সড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। তারসঙ্গে রক্ষা পেয়েছেন রেলযাত্রীরা।” ঠিক কী ঘটেছিল? ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ঝাড়গ্রাম-গিধনি শাখার ১০৩ নম্বর সেতুর নজরদারির দায়িত্বে ছিলেন সঞ্জয় সিং। সেই সময় হঠাৎ তাঁর নজরে পড়ে তিন নম্বর লাইন ধরে কিছুটা দূরে তিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি হেঁটে যাচ্ছেন। কিছু একটি সন্দেহ হওয়ায় তিনি ওই ব্যক্তিদের দিকে হাতে থাকা টর্চের আলো ফেলতেই তাঁরা দৌড়ে পালান। দ্রুত দৌড়ে গিয়ে সেখানে পৌঁছে তিনি দেখেন লাইনের উপর একটি শাবল পড়ে রয়েছে।
অপরদিকে, এই একই শাখায় রাতে পেট্রোলিং করছিলেন ভীম মাহাতো। তাঁর নজরে পড়ে আপ লাইনের উপর একটি ব্যাগ, দু’টি হ্যাকস ব্লেড, একটি তারের টুকরো ও একটি জলের বোতল পড়ে রয়েছে। তখনই তিনি ঊর্ধ্বতন অফিসারদের খবর দেন। খবর পৌঁছনোর পর ওই রেলশাখায় সাময়িকভাবে রেল চলাচল স্থগিত রাখা হয়। তারসঙ্গে আরপিএফের বিশাল বাহিনী-সহ সহকারী স্টেশন ম্যানেজার ও সেকশনাল পিডবলুআই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁরা আপ, ডাউন ও তৃতীয় লাইনে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি চালান। রেলপথ সম্পূর্ণ নিরাপদ ও বিপদমুক্ত নিশ্চিত করা হয়। তারপর ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
সর্বশেষ খবর
-
খুচরোয় স্বপ্নের বাইক! ৫-১০ টাকার কয়েনে লক্ষাধিক টাকায় ‘রাজপঙ্খী’ কিনলেন তারাপীঠের শ্রীনাথ
-
কিশোরের গলায় সহপাঠীর ছুরি! এই কি আমাদের প্রার্থিত শিক্ষাব্যবস্থা?
-
শুশ্রুষায় শঙ্কা! প্রবীণদের সেবায় নার্সদের ‘মানবিক’ হওয়ার বিশেষ প্রশিক্ষণ
-
কলকাতাকে করজোড়ে প্রণাম আন্সেলোত্তির, আতিথেয়তায় আপ্লুত মার্কুইনহোস, প্রশংসা গুরুপ্রীতেরও
-
ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে মিশে যায় আজান, বাংলার সাড়ে ৩০০ বছরের পুজোয় অটুট সম্প্রীতি