Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৪ অক্টোবর ২০২৬
Tarapith

খুচরোয় স্বপ্নের বাইক! ৫-১০ টাকার কয়েনে লক্ষাধিক টাকায় ‘রাজপঙ্খী’ কিনলেন তারাপীঠের শ্রীনাথ

বস্তা খুলতেই শুধু কয়েন আর কয়েন! ৫ ও ১০ টাকার সেই খুচরো গুনতে ৬-৭জনের লেগে গেল প্রায় এক ঘণ্টা। শেষে দেখা গেল খুচরোতেই জমেছে প্রায় ১ লক্ষ টাকা।

বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২৬, ১৪:০৮

link
বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২৬, ১৪:০৮

options
link
খুচরোয় স্বপ্নের বাইক! ৫-১০ টাকার কয়েনে লক্ষাধিক টাকায় ‘রাজপঙ্খী’ কিনলেন তারাপীঠের শ্রীনাথ zoom
শোরুমের মেঝেতে বসেই গোনা হচ্ছে খুচরো। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

বস্তা খুলতেই শুধু কয়েন আর কয়েন! ৫ ও ১০ টাকার সেই খুচরো গুনতে ৬-৭জনের লেগে গেল প্রায় এক ঘণ্টা। শেষে দেখা গেল খুচরোতেই জমেছে প্রায় ১ লক্ষ টাকা। সঙ্গে আরও ৬০ হাজার টাকা নগদ। স্বপ্নের বাইক কিনে এক কিকেই স্টার্ট তারাপীঠের শ্রীনাথ লেটের। লোকে বলে ছেড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখতে নেই। কিন্তু স্বপ্নটা দেখেছিলেন শ্রীনাথ। তাঁর স্বপ্ন ছিল ওই দেড়লাখি বাইক। বড় অঙ্কের সঞ্চয়ের বদলে তিনি বেছে নিয়েছিলেন ছোট ছোট কয়েন।

স্বপ্ন ছিল নিজের একটা মোটরবাইক থাকবে। কিন্তু আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় সেই স্বপ্ন পূরণ হচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত মনের জোর আর দীর্ঘদিনের সঞ্চয়েই সেই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন তারাপীঠের শ্রীনাথ লেট। বছরের পর বছর ধরে ৫ ও ১০ টাকার কয়েন জমিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সেই সঞ্চয় নিয়েই পছন্দের মোটরবাইক কিনতে মল্লারপুরের একটি শোরুমে হাজির হলেন তিনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

স্বপ্ন যে এভাবে বাস্তব হবে, ভাবেননি শ্রীনাথ নিজেও। বৃহস্পতিবার একটি বস্তায় সেই জমানো কয়েন নিয়ে টোটোয় চেপে শোরুমে পৌঁছন তিনি। বস্তা খুলতেই অবাক কর্মীরা। শুরু হয় কয়েন গোনার কাজ। প্রায় এক ঘণ্টা পর মিলল হিসাব, কয়েনেই প্রায় ১ লক্ষ টাকা। এর সঙ্গে ৬০ হাজার টাকা নগদ যোগ করে মোট ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকায় নিজের পছন্দের ‘রাজ পঙ্খী’ মোটরবাইকটি কিনে নেন শ্রীনাথ। অল্প অল্প করে জমানো খুচরো টাকায় বড় স্বপ্নপূরণের এই কাহিনি এখন সকলের মুখে মুখে। প্রথমে বাইকের শোরুমের লোকজন বিষয়টি বিশ্বাস করেননি। খুচরো কয়েনে জিনিস কেনা যাবে না, এমন কোনও সরকারি নিয়ম নেই।

অতঃপর কয়েক ভর্তি বস্তা মেঝেয় ঢালা হয়। শোরুমের কর্মীরাই ওই টাকা গোনেন। টাকা গোনা শেষ হলেই শুরু হয় কাগজপত্রের কাজ। এরপরেই ওই যুবকের হাতে বাইকের চাবি তুলে দেওয়া হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.