রাজ্যে পালাবদলের পরেই শব্দ দূষণ রোধে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে সরকার। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিধিকে মাথায় রেখে বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান থেকে মাইক খুলে দিতে উদ্যোগী প্রশাসনও। তা নিয়ে রাজনৈতিক আকচাআকচি শুরু হলেও পরিবেশকর্মীরা বলছেন, মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ উদ্যোগ যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক।
আরও পড়ুন:
তবে সরকারি নির্দেশিকা থাকলেও,তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলা (Shrabani Mela) ঘিরে শব্দের দাপটে কান ঝালাপালা হওয়ার জোগাড়। রাস্তার ধারে অস্থায়ী শিবির ও জলছত্রগুলিতে পরিবেশবিধি ভঙ্গ করে চলছে তারস্বরে সাউন্ড বক্স। পরিবেশকর্মীরা বলছেন, শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে প্রতি বছরই লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয় তারকেশ্বরে। ভক্তরা বৈদ্যবাটির নিমাইতীর্থ ঘাট বাঁকে জল নিয়ে হেঁটে তারকেশ্বর যান। প্রতি বছরই ওই ৩৭ কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে থাকে অসংখ্য জলসত্র। সেখানে তারস্বরে ডিজে বক্স বাজিয়ে মানুষকে অতিষ্ঠ করার অভিযোগ ওঠে। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এলাকার উত্তরপাড়া, বৈদ্যবাটি এবং ব্যান্ডেলে গ্রামীণ পুলিশ এলাকার সিঙ্গুর থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত অসংখ্য জলসত্রে তারস্বরে ডিজে, সাউন্ডবক্স বাজার কারণে নাকাল হন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুধু তাই নয় তীর্থযাত্রীদের ডিজে বক্স বাজিয়ে বিরাট শোভাযাত্রার আয়োজন করছেন তীর্থযাত্রীরা।
প্রশাসন সূত্রে খবর, এবার শ্রাবণী মেলা শুরু হওয়ার আগেই হুগলির জেলাশাসক, হুগলি গ্রামীণ পুলিশের সুপার ও চন্দননগর পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দিয়ে বেআইনি ডিজে বক্স বন্ধ করার ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করার আর্জি জানানো হয় বাজি ও ডিজে বক্সবিরোধী মঞ্চের পক্ষ থেকে। কিন্তু তারপরেও সেই বিধিনিষেধে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেদার চলছে ডিজে-তাণ্ডব। উত্তরপাড়া, ভদ্রকালী, কোন্নগর, রিষড়া, শ্রীরামপুর ও শেওড়াফুলির বহু জায়গায় দেখা যাচ্ছে তারস্বরে বক্স বাজতে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ঝাড়গ্রামে হরিণের রহস্যমৃত্যু! চোরাশিকারিদের থাবা? তদন্তে বনদপ্তর
-
পুজোর আগে ঘন মজবুত চুল চান? প্রসাধনী নয়, স্রেফ জমিয়ে খান এই বিশেষ লাড্ডু
-
দু’মাস বেতনহীন কলকাতা পুরসভা! টাকা পাচ্ছেন না ১০০ দিনের কাজের ১৫ হাজার পুরকর্মী
-
আপাতত ক্যামাক স্ট্রিটের কার্যালয় থাকছে অভিষেকেরই! নিম্ন আদালতের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করল না হাই কোর্ট
-
ভেজ খাবারে এলার্জি? পুজোর আগে রোগা হতে ব্রহ্মাস্ত্র হতে পারে এই নিরামিষ ডায়েট