কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশিকাতেও হল না কাজ। তেহট্টে ডিম হামলার শিকার সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। ফেসবুক লাইভে গোটা ঘটনা তুলে ধরেন তিনি। মহুয়ার দাবি, পুলিশের সহযোগিতা এই কাজ করেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতারা। যদিও পালটা বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:
বুধবার তেহট্ট ১ নম্বর ব্লকে ঘরোয়া বৈঠক ছিল মহুয়া মৈত্রের। মহুয়ার দাবি, বৈঠক চলাকালীন বাইরে ভিড় জমান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। সাংসদের অভিযোগ, পুলিশি মদতেই ভিড় জমান তাঁরা। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, সহ সভাপতির নেতৃত্বে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম হামলা করেন বলেই অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। তাঁর প্রশ্ন, কলকাতা হাই কোর্টের নিরাপত্তায় থাকা সত্ত্বেও কেন ডিম হামলা? পুলিশের সঙ্গে এই প্রসঙ্গে একপ্রস্থ বাকবিতণ্ডাও হয় সাংসদের। যদিও পুলিশের দাবি, তেহট্টে ঘরোয়া বৈঠকের জন্য আগে থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। মহুয়ার দাবি, পুলিশ সুপার জানতেন। সেই সময় বিক্ষোভকারীদের তরফে ‘চোর, চোর’ স্লোগান ওঠে। পালটা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তোলেন মহুয়ার অনুগামীরা। আমার গাড়িতে একটা ডিম পড়লে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানান তিনি। এরপর ওই অবস্থাতেই দ্বিতীয় বৈঠকও করেন তিনি। এভাবে তৃণমূলকে দমিয়ে রাখা যাবে না বলেই হুঁশিয়ারি মহুয়ার।
এর আগে কালীগঞ্জে ডিম হামলার শিকার হন মহুয়া। এর নেপথ্যে এলাকারই বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর নাম উল্লেখ করে অভিযোগ তুলেছেন মহুয়া মৈত্র। এরপর থানায় হাজিরা দিতে গিয়ে ডিম হামলার আতঙ্কে ভুগছিলেন তৃণমূল সাংসদ। নিরাপত্তার দাবি আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। বিচারপতি তাঁকে জানান, বিপ্লবীরা গুলি খেয়েছেন, আর আপনি ডিম হামলার ভয় পাচ্ছেন? এরপর যদিও আদালত তাঁকে রক্ষাকবচ দেয়। তবে তারপরেও ফের ডিম হামলার শিকার হলেন সাংসদ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভারতীয় রণতরীতে জোর ধাক্কা! কী উদ্দেশ্যে ছিল পাক যুদ্ধজাহাজের? প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য
-
এবার সেন্সর বোর্ডে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, কমিটিতে প্রীতি জিন্টা, পঙ্কজ ত্রিপাঠী-সহ আর কারা?
-
একদিনও কর্মস্থলে যাননি! তবু মাসে ৭০ হাজার বেতন পান কর্নাটকের কংগ্রেস বিধায়কের ভাইঝি
-
জোড়া ব্যধিতে ‘মহামারী’ বাংলাদেশে! ৬ মাসে হাম কাড়ল ১,০৪৪ প্রাণ, সেপ্টেম্বরেই ডেঙ্গুতে মৃত ৬০
-
সালকিয়া ফ্রেন্ডস থেকে মনোনয়ন জমা সৌরাশিসের, প্রথমবার উপস্থিত থাকছেন বার্ষিক সভায়