প্রথম পাতা খেলা দেশ বিদেশ ই-পেপার
Arambagh Bus Accident

যাত্রী নিয়ে উলটে গেল বাস, তারকেশ্বরে জল ঢালতে যাওয়ার পথে মৃত ২ পুণ্যার্থী

আরামবাগে দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে দেরির অভিযোগে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Advertisement ad
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৪:৩৮

options
link
যাত্রী নিয়ে উলটে গেল বাস, তারকেশ্বরে জল ঢালতে যাওয়ার পথে মৃত ২ পুণ্যার্থী zoom

সাতসকালে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা হুগলির আরামবাগে (Arambag Bus Accident)। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবোঝাই বাস উলটে গেল। তারকেশ্বরে শিবের মাথায় জল ঢালতে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হল দুই মহিলার। ঘটনায় জখম বহু। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের আদমবাঁধ এলাকায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়েও অ্যাম্বুল্যান্স দেরিতে পৌঁছনো ও উদ্ধারকাজে বিলম্বের অভিযোগে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তা নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে বর্ধমানের দিক থেকে বর্ধমান-তারকেশ্বর রুটের বাসটি আসছিল। প্রায় ৪০-৫০ জন যাত্রী ছিলেন বাসে। আদমবাঁধ এলাকায় বাসের পাতি ভেঙে গিয়ে রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে উলটে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে জড়ো হন। তাঁরাই হাত লাগিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাস থেকে যাত্রীদের উদ্ধার শুরু করেন। দেখা যায়, ঘটনাস্থলেই দুই মহিলার মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের নাম লক্ষ্মী মুর্মু, বয়স ৬৫ বছর ও বছর পঁয়ত্রিশের শর্মিলা সরেন। তাঁদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ধাড়ান এলাকায়। তাঁরা তারকেশ্বরে জল ঢালার জন্য যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে।

মঙ্গলবার সকালে বর্ধমানের দিক থেকে বর্ধমান-তারকেশ্বর রুটের বাসটি আসছিল। প্রায় ৪০-৫০ জন যাত্রী ছিলেন বাসে। আদমবাঁধ এলাকায় বাসের পাতি ভেঙে গিয়ে রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে উলটে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে জড়ো হন। তাঁরাই হাত লাগিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাস থেকে যাত্রীদের উদ্ধার শুরু করেন। দেখা যায়, ঘটনাস্থলেই দুই মহিলার মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের নাম লক্ষ্মী মুর্মু, বয়স ৬৫ বছর ও বছর পঁয়ত্রিশের শর্মিলা সরেন। তাঁদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ধাড়ান এলাকায়। তাঁরা তারকেশ্বরে জল ঢালার জন্য যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

বাস দুর্ঘটনায় জখম যাত্রীদের উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁদের মধ্যে কারও কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই দুর্ঘটনার জন্য রাস্তার বেহাল অবস্থাকেই দায়ী করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, বারবার রাস্তা মেরামতির আবেদন করেও কোনও সুরাহা হয়নি। তবে এদিন দুর্ঘটনার থেকেও সময়মতো উদ্ধারকাজ শুরু না হওয়ায় আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন স্থানীয়রা।

আরামবাগে বাস দুর্ঘটনার এই খবর পেয়েই বিধায়কদের জখমদের দেখতে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর নির্দেশের পরেই বিধানসভার অধিবেশন ছেড়ে পথ দুর্ঘটনায় জখমদের দেখতে আরামবাগ মেডিক্যালে যান আরামবাগের তিন বিধায়ক। আরামবাগের বিধায়ক হেমন্ত বাগ, পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ ও খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ জখমদের চিকিৎসা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। মেডিক্যাল থেকে বেরিয়ে পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই এসেছি। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। জখমদের চিকিৎসার সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা সকলে পাশে আছি। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও বিষয়টি দেখছেন। তাঁকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা সমস্ত পরিস্থিতি তাঁকে জানিয়েছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন